টেকনাফ টুডে ডেস্ক : ইসরাইলের চলমান নৃশংস হামলায় গাজায় মঙ্গলবার পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এ তথ্য অন্য কারো নয়, জাতিসংঘের। সোমবার জাতিসংঘ বলেছিল, বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের সংখ্যা ৩৮ হাজার। কিন্তু একদিনের মধ্যেই তা ২০ হাজার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুঁতেরার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজাররিক বলেছেন, সোমবার রাতভর বেসামরিক স্থাপনার ওপর অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এর ফলে মঙ্গলবার বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যায়। উপকূলজুড়ে জাতিসংঘ পরিচালিত ৫৮টি স্কুলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন ৪৭ হাজার মানুষ। ডুজাররিক বলেছেন, হামলা চালানো হয়েছে গাজায় করোনা পরীক্ষার ল্যাব, স্বাস্থ্য ও অন্য মানবিক সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে।
গাজায় ধ্বংস করে দেয়া এসব অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন ফিলিস্তিনিদের। তাদের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। আমরা যতটা পারি ততটা এর সঙ্গে যুক্ত থাকবো।
ওদিকে মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের নৃশংস হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২১৩ জন। এর মধ্যে ৬১টি শিশু, ৩৬ জন নারী ও ১৬ জন প্রবীণ রয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪০০ মানুষ। পক্ষান্তরে গাজা থেকে ছোড়া রকেট হামলায় ইসরাইলে নিহত হয়েছে ১০ জন। এরই মধ্যে গাজায় হামলায় সেখানকার বিদ্যুত ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। মানুষ জ্বালানির অবর্ণনীয় কষ্টে আছে। ফলে গাজায় জাতিসংঘের রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজির জ্বালানিবাহী ট্রাক প্রবেশে অনুমতি দিয়েছে ইসরাইল। কয়েক ডজন ট্রাক সেখানে ঢুকেছে বা ঢোকার পথে। কিন্তু এর বাইরে অত্যাবশ্যক মানবিক সহায়তাবাহী কার্গো প্রবেশে অনুমতি দেয়নি ইসরাইল।
