কক্সবাজারে প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমানের উপর হামলায় ঘটনায় গ্রেফতার আসামীদের কারাগারে প্রেরন

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

অজ্ঞাত ১২০/১২৫ জনসহ ১৪ জনের নামে থানায় মামলা, গ্রেফতার-৪
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
কক্সবাজার শহরে ইজিবাইকের চালকদের সাথে পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার রাতে আহত প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে ১৪ জন নামীয় ও অজ্ঞাত দেড়শো জনকে আসামী করে এ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলার ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার আসামীদের বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনির উল গিয়াস সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে শ্রমিক নেতা রুহুল কাদের মানিক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকি ৩ আসামীকে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। শহরের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ঘটনার পর থেকে শহরে ইজিবাইক চলাচল কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে।

গতকাল দুপুরে আন্দোলনরত ইজিবাইক চালকদের সাথে কক্সবাজার পৌরসভার কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমান ও শ্রমিক নেতা রুহুল কাদের মানিকসহ ৫ জন আহত হন। তারা দুজনেই সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত সপ্তাহ খানেক যাবৎ শহরে অবৈধ ইজিবাইকের বিরুদ্ধে পুলিশী অভিযানে ৫ শতাধিক ইজিবাইক জব্দ করা হয়। ফলে গতকাল শ্রমিকরা হয়রানী ও পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ইজিবাইকের লাইসেন্স প্রদানের অভিযোগ এনে সকাল থেকে ইজিবাইক চলাচল বন্ধ রেখে শহরে মিছিল সমাবেশ চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এলে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষে ৫ জন আহত হন। অবশ্য এ ঘটনায় কারা আগে হামলা চালিয়েছে তা নিয়ে পরস্পর বিরুধী বক্তব্য পাওয়া যায়।

প্যানেল মেয়র মাহবুবুর রহমানের উপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পৌর পরিষদ ও আওয়ামীল ীগ। মাহবুবুর রহমান জেলা আওয়ামীলীগেরও সাংগঠনিক সম্পাদক।

এছাড়া সংঘর্ষের পর পৌর কর্মচারীরা তাৎক্ষনিক সেবা বন্ধ করে দেয় ও বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতি দোকানপাট বন্ধ রাখে। পরে তিন ঘন্টা বন্ধ রাখার পর দোকানপাট খুলে দেয়া হয় এবং পৌর কর্মচারীরা সন্ধার পর থেকে সেবা চালু করেন।