বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফে র্যাব-১৫ এর সদস্যরা প্রধান সড়কে অভিযান চালিয়ে স্বশস্ত্র অবস্থায় মাদকের চালান খালাস করে ফেরার পথে রোহিঙ্গা জকির ডাকাতের সহযোগী লাশ জালাল ইয়াবা ও অস্ত্র নিয়ে ৪জন সহযোগীসহ আটক করেছে।
সুত্র জানায়, ১২ অক্টোবর রাতের প্রথম প্রহর সোয়া ১টারদিকে র্যাব-১৫ (সিপিসি-১) টেকনাফ ক্যাম্পের চৌকষ একটি আভিযানিক দল মাদকের চালান বহনের সংবাদ পেয়ে টেকনাফস্থ হ্নীলা জাদিমোরা ওমরখালের উত্তর-পশ্চিম পাশে অবস্থান নেয়। এসময় স্বশস্ত্র মাদক কারবারীরা র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া করে হ্নীলা ঊলুচামরী স্কুল পাড়ার মৃত কালা মিয়ার পুত্র শাহ জালাল ওরফে লাশ জালাল (১৯), রঙ্গিখালী পূর্ব পাড়ার মৃত নবী হোছনের পুত্র মোঃ খায়ের (১৯), সহযোগী গাজী পাড়ার সাবের আহমদের পুত্র নুরুল আফসার (২২), উলুচামরীর নুরুল ইসলামের পুত্র হেলাল উদ্দিন (২৩) এবং আব্দুল হাকিমের পুত্র মোঃ হেলাল উদ্দিন (২৬) কে আটক করে। উপস্থিত স্বাক্ষীদের সামনে তাদের দেহ তল্লাশী করে ২টি বিদেশী পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি এবং ৪০হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
ধৃত জালাল এলাকায় লাশ জালাল হিসেবে পরিচিত এবং কুখ্যাত রোহিঙ্গা জকির ডাকাতের অন্যতম সদস্যরা। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্বশস্ত্র অবস্থায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই অপকর্ম চালিয়ে আসছে এবং এলাকায় ইয়াবার ভেন্ডার হিসেবে সুপরিচিত।
এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত অস্ত্র,বুলেট ও ইয়াবাসহ ধৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে বলে র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, এই লাশ জালাল দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাভোগীমহল এবং স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রæপের ছত্রছায়ায় জাদিমোরা-শালবাগান ক্যাম্প এলাকা হতে বড় ধরনের ইয়াবার চালান এনে গাজীপাড়া, উলুচামরী, কোনারপাড়া, ছোট লেচুয়াপ্রাং, পশ্চিম সিকদার পাড়া, মইন্যারজুম, হ্নীলা ষ্টেশন এলাকায় মাদক চালান সরবরাহ করে আসত বলে জনশ্রæতি রয়েছে। এসব অপকর্মকারীদের আশ্রয়দাতাদের তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী উঠেছে। ###
