বার্তা পরিবেশক :- গত ১৯ আগষ্ট দৈনিক আলোকিত উখিয়া অনলাইন পত্রিকাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত “ অল্প সময়ে কোটিপতি হওয়ার পিছনে মাদকের কারিশমা ; হোয়াইক্যং ইউপির কাঞ্জর পাড়ার রায়হানের আয়ের উৎস কী ? শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা শত্রæতাবশত এবং প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে মুখোশধারী প্রকৃত হুন্ডি ব্যবসায়ী এবং মাদক কারবারীদের সাজানো ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই না। আমি উপরোক্ত সংবাদের সত্যতা বের করার জন্য সংবাদ পরিবেশনকারী সংস্থাসহ সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আমি আতœনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষ্যে কাজী দোকানের চাকরী ছেড়ে হ্নীলা সিকদার প্লাজার ২৪ নং দোকানের দোকানদার জনৈক মুসা আলী হতে উপভাড়া হিসেবে নিয়ে ইজিলোড আর মোবাইলের দোকান করে আসছি। যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসন তদারকি করে আসছে। এখানে অবৈধ লেন-দেন করার কোন সুযোগ নেই।
চলতি বছরের কোরবানের এক সপ্তাহ আগে এবি সুপার মার্কেটের ২য় তলায় আমার খালাত ভাইয়ের সাথে শেয়ার করে কসমেটিক্স সামগ্রীর একটি দোকান শুরু করি। তাতেই ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দি এবং অসাধু সুবিধাভোগী চক্র মিলে বর্তমান মাদক বিরোধী অভিযানের খপ্পরে ফেলে শত্রæতা হাসিলের জন্য মিথ্যা,বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন সংবাদের আশ্রয় নিয়েছে। আমি এবং আমরা পিতা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এবং স্থানীয় কোন মাদক কারবারীর সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক নেই। যা তদন্ত করলে সহজে পাওয়া যাবে।
আমার বাড়ি টিন শেডের হাফ দেওয়ালের বিল্ডিং। এখানে কোন ধরনের টাইলস করা হয়নি।
আমার নামীয় প্রাইভেট কারসহ কয়েকটি গাড়ি আছে বলে উল্লেখ করেছেন তা তদন্ত করে বের করার জন্য সবিনয় আহবান জানাচ্ছি। আমি কোন ধরনের অবৈধ সম্পদের মালিক না এবং সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। আমি হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার সিরাজুল ইসলাম সিকদারের ভাড়া বাসায় থাকি। আমি যদি ব্যবসায়িক নিয়ম ছাড়া অন্য কোন অবৈধ কাজে লিপ্ত থাকি তা তদন্ত করে সবাই দেখতে পারেন। সুতরাং আমার মত নিরীহ লোকজনের উপর তথ্য সন্ত্রাস চালানো আদৌ কি উচিত। আমি আমার সুনাম নষ্টকারী সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
রায়হান উদ্দিন
পিতা- রশিদ আহমদ,
সাং- কাঞ্জর পাড়া, হোয়াইক্যং, টেকনাফ। ###
