সাইফুল ইসলাম : সম্মানিত জনপ্রতিনিধিগণ আপনারা আপনাদের এলাকার মানুষের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিগত দিনে অনেকে সুন্দর ও সুস্হুভাবে দায়িত্ব পালন করে হয়েছেন নন্দিত আবার অনেকে দায়িত্বে ইচ্ছা ও অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য হয়েছেন নিন্দিত। এমনই অনেক সাবেক জনপ্রতিনিধিও বর্তমানে রয়েছেন। আবার অনেকের আগামীতে করার মনোবাসনা মনো ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে মহামারী করোনা প্রাদুর্ভাবে গোটা বিশ্ব বেসামাল। বিশ্বের ক্ষমতাধর যে রাষ্ট্রগুলো পারমানবিক বোমা ও অন্যান্য বিধ্বংসী মারণাস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সমগ্র বিশ্ব শাসন ও শোষিত করেছিল তাদের আজ খুবই অসহায় জাতিতে পরিনত হয়েছে। এমন এক অস্ত্র সৃষ্টিকর্তা দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন যা ঠেকানোর সাধ্য কারো নাই। সবাই এখন নিরুপায় এবং মানসিক ভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে। ইটালিতে রাস্তা রাস্তায় টাকা পেলে দিচ্ছেন মানুষেরা। কারণ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করেও তাদের বাঁচার পথ রুদ্ধ। এখন তারা সৃষ্টিকর্তার উপর হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তারপরও অনেক দেশ তাদের নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এমতাবস্থায় আমাদের গোটা বাংলাদেশও আজ ঝুঁকিপূর্ণ।দিন দিন মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে না চলার কারণে। যদিও সরকার মানুষকে সচেতন করতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন।পুলিশ সেনাবাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি গরীব ও অসহায় মানুষকে সরকার ও তাঁদের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী দিচ্ছেন।
এরপর কিছু মানুষ দায়ে বের হচ্ছে। মানছেনা সামাজিক দূরত্ব। তাদের কথা হচ্ছে-পেটে আহার না থাকলে আমরা বাঁচব কিভাবে? তাদের কথাও যৌক্তিক। যার ফলে দেশে সংক্রমণ বাড়ছে। একজন অাক্রান্ত ব্যক্তি মাধ্যমে গড়ে ৫-৬জন আক্রান্ত হচ্ছে।
এই সময় যে প্রতিনিধিগুলো বর্তমানে রয়েছে অথবা যাদের প্রতিনিধিত্ব করার মনো আকাঙ্খা রয়েছে তাঁরা যদি একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে অসহায় মানুষগুলো ঘরের বাইরে বের হবে না। অনেক প্রতিনিধি নির্বাচনের আগে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেন। আজ এই দুঃসময়ে যদি পেটের দায়ে রাস্তায় বের মানুষগুলোর খোঁজ নেন এবং তাদের জন্য কিছু আহারের ব্যবস্হা করে দেন তাহলে পরবর্তী ভোটে ঐ সব মানুষগুলো আপনাকে মনের আয়নায় চিরতরে গেটে রাখবে। আজ আপনাদের সময় এসেছে অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াবার ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার। তাইতো বলি,ভোটের আগে যদি দিতে পারেন,এখন নয় কেন?
লেখক-সাইফুল ইসলাম বিএ
