হ্নীলা-হোয়াইক্যংয়ে ঘাট ভিত্তিক মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি ফেরত এক রোহিঙ্গা মৌলভী !

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের লেদা সীমান্তে গত মাসে মাদকের চালান নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বিজিবির সাথে ৩জন অজ্ঞাত রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হলেও করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধ নিষেধাজ্ঞার সুযোগে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে বালুখালী ক্যাম্পে অবস্থানকারী সৌদি ফেরত এক রোহিঙ্গা মৌলভীর বিরুদ্ধে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮ সালের শেষের দিকে সৌদিয়া হতে বালুখালী পান বাজারস্থ পুলিশ ব্যারাকের সামনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইয়াছিন আহমদের পুত্র সৌদি ফেরত মৌলভী আব্দুল্লাহ (৪৫) এসে অবস্থান নেয়। বেকার বসে থাকার চেয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেটের নিকট চালান সরবরাহ করে নগদ টাকা আয়ের স্বপ্ন নিয়ে হ্নীলা জাদিমোরা, শালবাগান, মোচনী, লেদা, হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাং ও চাকমার কূল ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় গড়ে তোলে বিশেষ সিন্ডিকেট।

বাংলাদেশ সীমান্তে মৌলভী আব্দুল্লাহ এবং মিয়ানমার সীমান্তে বেশ কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণ করছে মাঙ্গালা আকবরইজ্জা পাড়ার তার ভাই হাফেজ আরশাদুল্লাহ। মিয়ানমার সীমান্তে নাকি টাকার বিনিময়ে ইয়াবার চালান এপারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রোহিঙ্গা যুবকদের বিশেষ একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। তারা এক লাখ ইয়াবার চালান দুই লাখ টাকার বিনিময়ে এইপারের বেড়িবাঁধে সিন্ডিকেট সদস্যদের হাতে তুলে দিয়ে যায়। প্রত্যেক পয়েন্টে রয়েছে মাদকের চালান খালাসের বিশেষ চক্র। গত ২৮মার্চ (শনিবার) রাতের প্রথম প্রহরে এই ধরনের একটি ইয়াবার চালান লেদার ছুরিখাল পয়েন্ট দিয়ে আনার সময় বিজিবির সাথে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে বিজিবির ৩জন সদস্য আহত এবং অজ্ঞাত ৩জন রোহিঙ্গা মাদক কারবকারী নিহত হয়। যার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

এই ব্যাপারে র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্প (সিপিসি-১) ইনচার্জ এএসপি বিমান চন্দ্র কর্মাকার বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক ইয়াবা পাচারের বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। ইয়াবা পাচারে যত বড়ই সিন্ডিকেট সক্রিয় হোক না কেন ; তাদের শেকড় উপড়ে ফেলা হবে।

এদিকে দেশ ও জাতির এই চরম মুর্হুতে টেকনাফ সীমান্তে যারা মাদক সমপৃক্ততায় জড়িত থাকবে ; তদন্ত স্বাপেক্ষে তাদের পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন আইন-শৃংখলা বাহিনী নিজস্ব গতিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে বিশ্বস্থ সুত্র জানিয়েছেন। ###