সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের ইন্তেকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আর নেই। থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২৫ মিনিটে তিনি মারা যান। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। চিরকুমারী সাহারা খাতুনের বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তার ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ঢাকা-১৮ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক :
শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সেনিক হিসেবে সাহারা খাতুন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আজীবন কাজ করে গেছেন এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে আইনিসহ সব সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করেছেন।

তার মৃত্যুতে দেশ ও জাতি একজন দক্ষ নারী নেত্রী এবং সৎ জননেতাকে হারালো। আমি হারালাম এক পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে।

গত সোমবার অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গত ২ জুন সাহারা খাতুন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

এরপর অবস্থার উন্নতি হলে তাকে ২২ জুন দুপুরে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে (হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। পরে ২৬ জুন সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবারও তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

এরপর গত ৬ জুলাই (সোমবার) সাহারা খাতুনকে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন সাহারা খাতুন। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ এবং মায়েন নাম টুরজান নেসা।

সাহারা খাতুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ঢাকা-১৮ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সাহারা খাতুন তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালে মহাজোট ক্ষমতায় আসলে প্রথমে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়। পরে সেখান থেকে সরিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের।