সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : করোনা ভাইরাসের ভয়ংকর আক্রমণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব এখন আতঙ্কগ্রস্ত। বাংলাদেশ সরকারসহ বিশ্বের প্রায় প্রতিটি সরকার লোকসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যে সভা-সমাবেশ, যোগাযোগ এমনকি আদালতে লোকসমাগম ও সাধারণ বাজার মার্কেটে ভীড় এড়ানোর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে বর্তমানে প্রায় ১ লক্ষ কারাবন্দী রয়েছে। কারাগারগুলোতে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ হাজার বন্দী ধারণ ক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে তার তিনগুণ বন্দী অবস্থান করছে। প্রতিটি কারাগারে নতুন করে প্রতিনিয়ত দেশী-বিদেশি বন্দীর আগমন নির্গমণ ঘটছে। কারাগারগুলোতে যে কোন সময়ে করোনা ভাইরাসের মত ভয়ংকর সংক্রমণ আক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বিচারাধীন সকল বন্দীদের জরুরী জামিন মঞ্জুর এবং কয়েদিদের মধ্যে যাদের অর্ধেক সাজা খেটেছে তাদেরকে মুক্তি প্রদান অতি জরুরী। কারাগারগুলোতে সরকার জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে করোনা ভাইরাস যে কোন সময় মহামারী আকার ধারণ করতে পারে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কারাগারগুলোতে এখনও পর্যন্ত তেমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। দেশ ও জনগণের স্বার্থে করোনা ভাইরাসের ভয়ংকর আক্রমণ থেকে রক্ষাকল্পে অপ্রয়োজনীয় কারাবন্দীদের কারাগার থেকে জরুরী মুক্তি প্রদান আবশ্যক।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC সদর দপ্তর কারাগারগুলো থেকে অপ্রয়োজনীয় কারাবন্দীদের মুক্তি প্রদানের লক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী রেজাউল মোস্তফা বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার
সভাপতি- ইন্টারন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি সেক্রেটারী জেনারেল-ইন্টারন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC
