বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠনের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হওয়া ওমর ফারুকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে ২৩ আগষ্ট বিকালে ওমর ফারুকের মৃতদেহ পোস্টমর্টেম শেষে বাড়িতে আনা হয়। বাদে মাগরিব জাদিমোরা সরকারী প্রাইমারী স্কুল মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, হ্নীলা ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী, মরহুমের ভাই ওসমান। জানাজা শেষে দাফন করা হয়। এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে সচেতনমহল মনে করেন,নিহত ওমর ফারুক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকালে নিজ বাড়িতে রান্না করে রোহিঙ্গাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি নিজ পৈত্রিক জমিতে প্রায় ৫হাজার পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছেন। তাকে নির্মমভাবে গুলি করে নৃশংশভাবে খুনের ঘটনা রোহিঙ্গা জাতির অকৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, এই ঘটনায় নিহতের পরিবার যাদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করবে পুলিশ সে অনুসারে কঠোর আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবুল মনসুর জানান,গতরাতে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকান্ডের জেরধরে সকাল হতে বিক্ষুদ্ধ জনসাধারণ প্রধান সড়ক অবরোধ ও ভাংচুর চালানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এই ঘটনার সুবিচারের আশ^াস দিলে অবরোধকারীরা চলে যায়।
গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টারদিকে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরায় বাজার এলাকায় ঠিকাদারী কাজের ইট অপসারণের সময় রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠনের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী এবং মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণকারী গডফাদার ডাকাত সেলিম, জকির, সালমান শাহসহ ১০/১২জনের গ্রæপ মাদকাসক্ত হয়ে স্থানীয় জমিদার আব্দুল মোনাফ ওরফে মোনাফ কোম্পানীর ছোট ছেলে, জাদিমোরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং হ্নীলা ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড শাখা যুবলীগ সভাপতি, ঠিকাদার ও উন্নয়নকর্মী মোঃ ওমর ফারুক (৩০) কে ধরে নিয়ে ছুরিকাঘাত এবং বুক ও মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর বীরদর্পে পাহাড়ে চলে যায়। পরে স্বজনেরা মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মৃতদেহ পোস্ট মর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়। ##
