টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে অপর প্রার্থীদের ছাড়িয়ে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফুটবল মার্কা প্রতিক নিয়ে মিজবাহার ইউছুপ এগিয়ে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

বার্তা পরিবেশক : আগামী ২৪ মার্চ টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়াম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাহার পরবর্তি ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বি নিজেদের সমর্থন আদায়ের জন্য গনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।তবে এবারে নির্বাচনে তরুন ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে,তারা মাদক বিরোধী শিক্ষিত এক জন নারীকে তাদের মূল্যবান রায় দেবেন।ফুটবল মার্কা প্রার্থী সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মিজবাহার ইউছুপ (বি,এ) অপর দুই প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে শিক্ষিত এবং স্বচ্চ ইমেজের অধিকারী।অপরদিকে বিগত সময়ে জনপ্রতিনিধি থাকা কালীন উপকূলীয় বাহারছড়া,টেকনাফ সদর,সাবরাং,হোয়াইক্যং, ইউনিয়নে রাস্তা ঘাট ব্যাপক উন্নন হয়েছে।শিক্ষা খাতে উন্নয়য়ে ছিলো তার সুদৃষ্টি।তাই এবারে তার প্রতি ভোটারদের ঝুঁক বেশী।উপজেলার আনাচে কানাচে বিরামহীন প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন এই নারী প্রার্থী।ভোটারদের সমর্থনও লক্ষ্যনীয় যেদিকে যাচ্ছেন সেদিকে সাড়া ফেলছেন।
অপরদিকে গত নির্বাচনে পদ্ম ফুল প্র‍তিক নিয়ে তাহেরা আক্তারের শিক্ষাগত যোগ্যতা মেট্রিক পাস। বিগত নির্বাচনে অভিবাহিত হওয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন।নির্বাচিত হতে পারলে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এমন আবেগঘন কথা দিয়েও শেষ পর্যন্ত কথা রাখেনি ফলে সাধারন মানুষের সেন্টিমেন্ট নিয়ে প্রতারনা করেছিলেন বলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটারেরা এমন মন্তব্য করেছেন।তাছাড়া রক্ষনশীল ও অলেম সমাজের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে পাঁচ বছরেও দাম্পত্য জীবন গড়তে ব্যর্থ হওয়াকে ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখছেন।তাছাড়া উন্নয়মূলক কাজের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় কর্তৃক কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়ার পরেও উপজেলার কোন এলাকায় তার পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করে উপজেলাবাসীর মন জয় করতে পারেনি।এসব মিলিয়ে এবারে নির্বাচনে সাধারন ভোটারদের তার প্রতি তিব্র সমালোচনা ও অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে নতুন প্রার্থী হিসেবে শাহপরীর দ্বীপ এলাকার মহিলা মেম্বার সনজিদা আক্তার কলসি প্রতিক নিয়ে মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের মাঝে তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রাইমারী পর্যন্ত পড়াশোনা করা এই মহিলা মেম্বার নিজ এলাকায় ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার শেষ পর্যায়েও তেমন কোন উন্নয়ন করতে পারেনি।তাই তার গ্রহন যোগ্যতা নিয়েও ভোটারদের মাঝে সমালোচনা চলছে।অপর দিকে এই নারী প্রার্থীর পক্ষে একজন ইয়াবা রানী কালোটাকা ছিটিয়ে নির্বাচিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন বলে সমালোচনা চলছে সর্বত্র।
সর্বোপরি উপজেলা ব্যাপী জরিপে শিক্ষা দ্বীক্ষা ও অতীত কর্মকান্ডসহ সব মিলিয়ে মিজবাহার ইউছুপের ভোটারদের মাঝে ব্যাপক গ্রহন যোগ্যতা লক্ষ্য করা গেছে।তাই চূড়ান্ত ফলাফল দেখতে আগামী ২৪ তারিখ ভোট গননা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে উপজেলা বাসীকে।