শেভরণের ল্যাব বন্ধ, ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক:

ভুল টেস্ট রিপোর্ট তৈরি, যন্ত্রপাতির মান খারাপ, লাইসেন্স না থাকা সহ রোগীদের রিপোর্ট নিয়ে জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে কক্সবাজার শহরের শেভরন ডায়গানস্টিক সেন্টারটি বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। একই সাথে শেভরন কর্তৃপক্ষের কাছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সেলিম শেখ ও ফারজানা প্রিয়াংকা যৌথভাবে ভ্রাম্যমান আদালতটি পরিচালনা করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ৭ ডিসেম্বর শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরী ভুল রিপোর্টের শিকার হন মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলমের মা জননী আলমাছ খাতুন। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা আলমাছ খাতুনের রক্ত ও ইউরিন টেস্ট করতে দিয়ে ভূল রিপোর্টেরও শিকার হন তিনি। শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরী কর্তৃপক্ষ তাহার চিকিৎসা পত্রে ভুল রির্পোট দিয়ে চরম অবেহেলা করেছে বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। অভিযোগ পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রম্যমান আদালত।

ক্লিনিক্যাল যন্ত্রপাতি এবং অন্যন্য জিনিসপত্র যাছাই বাছাই করে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নমানের যন্ত্রপাতি দেখতে পান। একই সাথে অদক্ষ এবং প্রশিক্ষণ ছাড়া অনেক টেকনেশিয়ান দ্বারা টেস্ট পরিক্ষা করার প্রমাণ পেয়ে আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে এ জরিমানা করেন।

শুধু আলমছ খাতুন নয়, প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগি ও তাদের স্বজনদের নানা প্রতারণার শিকার হতে হয় বলে জানান ভোক্তভোগীরা।

এর আগে গত বছরের ১১ নভেম্বর (২০১৭) কক্সবাজার শহরের হাসপাতাল সড়কে হয়রানীর কেন্দ্রবিন্দু বেসরকারি ক্লিনিক সেভরণ হাসপাতাল ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব-৭। শেভরণ ডায়গানস্টিক সেন্টারে স্থাপিত শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরীতে ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট তৈরি, যন্ত্রপাতির মান খারাপ সহ রোগীদের টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে জাল জালিয়াতি করার প্রমান পাওয়ায় সেই সময় ৪ লাখ টাকা নগদ জরিমানাও করেছিল র‌্যাব।

এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ ( শনিবার ৮ ডিসেম্বর ) প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়।