বার্তা পরিবেশক :: গত ২৭ অক্টোবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত পরিবর্তন ডটকম ও ২৮ অক্টোবর স্থানীয় অনলাইন এবং পত্রিকায় প্রকাশিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ২১জনপ্রতিনিধি,এরা কারা শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি এই ভিত্তিহীন তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রমাণের জন্য চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছি।
আমি বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য, কক্সবাজার জেলা কমিটির যুগ্নসম্পাদক, টেকনাফ দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, মানবাধিকার কমিশনের আজীবন সদস্য, হ্নীলা পানখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য, হ্নীলা নাফ মেরিট মাল্টিমিডিয়া স্কুল পরিচালনা পরিষদ সদস্য, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, হ্নীলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্নসম্পাদক এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হই। আল্লাহ আমাকে সততার সাথে স্বপরিবারে চলার তাওফিক দিয়েছেন বিধায় কোন প্রকার দূর্নীতি ও মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। এই অবৈধ ও ঘৃণিত আয় দিয়ে আমি সংসার চালাতে মোটেও রাজি না। বিগত দুইবারের ইউপি নির্বাচনে পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে নির্বাচন করেছি বলে হালাল রোজগারে আল্লাহ আমাকে দুই দুই বার বিজয়ী করে জনসেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে সংবাদপত্র মাধ্যমে ইয়াবা ব্যবসায়ী ২১জন জনপ্রতিনিধির তালিকায় আমার নাম দেখে বিস্মিত হয়েছি। আমাকে প্রতিপক্ষের যোগ-সাজশে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়পন্ন করার উদ্দেশ্যে এই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি মানহানিকর, ভূঁয়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মাদকের আগ্রাসনে অভিসিক্ত অঞ্চলের উপজেলা, ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংস্থার সভা-সেমিনারে আমি মাদক ব্যবসায়ী ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেওয়ায় তাদের রোষানলে পড়েছি। এছাড়া তাদের তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়ায় মাদক ও চোরাচালান সংশ্লিষ্ট চক্র সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ক্ষুদ্ধ হয়ে এই তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করিয়েছেন বলে আমি মনে করি। এই বিষয়টি প্রকাশ্যে তদন্তের জন্য আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি বিনীত আহবান জানিয়ে আমার শুভাকাংখী ও সর্বস্তরের জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান করছি। মহান আল্লাহ সহায়।
প্রতিবাদকারী :
হোছাইন আহমদ মেম্বার
৪নং ওয়ার্ড,
২নং হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ।
