চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি |
নদীতে গোসল করতে নেমে দুই সহোদরসহ ৫ স্কুলছাত্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিন স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শনিবার সন্ধ্যার পরে কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বিকাল ৪টায় মাতামুহুরী নদীর চরে ফুটবল খেলে নদীতে গোসল করতে গিয়ে তারা পানিতে তলিয়ে যায়।
নিহত স্কুলছাত্ররা হলো, চকরিয়া গ্রামার স্কুলের ছাত্র ফারহান বিন শওকত (১৫), একই স্কুলের ছাত্র চকরিয়া আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্সের মালিক আনোয়ার হোসেনের দুই ছেলে চকরিয়া গ্রামার স্কুলের ১০ শ্রেণির ছাত্র আমিনুল হোসেন এম শাদ (১৫) ও ৮ম শ্রেণির ছাত্র আবতাফ হোসেন মেহরাব (১৪)। তাদের বাড়ি চকরিয়া পৌর শহরের চিরিঙ্গা স্টেশন পাড়ায়।
নিখোঁজরা হলো, গ্রামার স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের ছেলে ওই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র সাইদ জাওয়াদ আরাবী (১৫), ওই স্কুলের শিক্ষিকা জলি ভট্টচার্যের ছেলে ১০ম শ্রেণির ছাত্র তর্ণ ভট্টাচার্য।
চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াছির আরাফাত জানিয়েছেন সন্ধ্যার পরে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ, দমকল বাহিনী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এদিন বিকাল ৩টার দিকে মাতামুহুরী নদীর চিরিঙ্গা ব্রিজের পাশের চরে চকরিয়া গ্রামার স্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্ররা পরীক্ষা শেষে ফুটবল খেলতে যায়। খেলার এক পর্যায়ে সাড়ে ৪ টার সময় ছাত্ররা মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় হঠাৎ ছয়জন ছাত্র পানির নিচে তলিয়ে যেতে থাকে। ছয়জনের মধ্যে তাৎক্ষনিক একজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও পাঁচজন সন্ধ্যা পর্যন্ত নিখোঁজ থেকে যায়।
নিখোঁজদের মধ্যে সন্ধ্যার পর ফারহান বিন শওকত (১৫), আমিনুল ইসলাম (১৫) ও আফতাব হোসেন মাহতাব (১২) লাশ সন্ধ্যার পর উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থলে চকরিয়া দমকল বাহিনীর লোকজন, পুলিশ ও এলাকাবাসী উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গ্রামার স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের ছেলে ওই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র সাইদ জাওয়াদ আরাবী (১৫), ওই স্কুলের শিক্ষিকা জলি ভট্টচার্যের ছেলে ১০ম শ্রেণির ছাত্র তর্ণ ভট্টাচার্য এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে।
চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন, জীবিত উদ্বার এক ছাত্রকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।
