টেকনাফ টুডে ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে মূলত দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারকে চাপে রাখার ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত-শিবির। কোটা সংস্কার নামে মূলত সরকার বিরোধী আন্দোলনকে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করছে দেশ বিরোধী শক্তিরা। কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে মূলত রাজনীতির মাঠে নিজেদের বিভিন্ন ব্যানারে একত্রিত করার চেষ্টা করছে জামায়াত-শিবির। সরকার বিরোধী এই আন্দোলনকে সারা দেশে ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির জন্য যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ছড়াচ্ছে জামায়াত-শিবির। বাঁশেরকেল্লা, আন্দোলন নিউজ লাইভসহ একাধিক ফেসবুক পেজের মাধ্যমে হিংসা ও ঘৃণার বাণী ছড়াচ্ছে তারা।

সূত্রের খবরে জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে মূলত সরকার পতনের আন্দোলনে কোমর বেধে নেমেছে জামায়াত-শিবির। সরকারের উপর কঠিন প্রতিশোধ নিতেই মাঠে নেমেছে জামায়াত-শিবির। রাজনীতির মাঠে জামায়াত গ্রহণযোগ্যতা হারানোর কারণে আন্দোলন করতে পারছিল না। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে নিজেদের জন্য উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছে দলটি। আন্দোলনকে তাই সফল করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঘৃণা ছড়াচ্ছে তারা। কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে দেশের ছাত্র ও তরুণ সমাজ। তরুণদের পজিটিভ ইমোশনকে নেতিবাচকখাতে প্রবাহিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে উঠেপড়ে লেগেছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা।


কোট সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খাঁন ‘কোটা সংস্কার চাই (সব ধরনের চাকরির জন্য)’ নামক ফেসবুক গ্রুপসহ একাধিক গ্রুপে কোটা সংস্কার নামে বিশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করেন। ওই গ্রুপগুলোর চ্যাটবক্সের তথ্য যাচাই-বাছাই করে পুলিশ রাজনৈতিক ইন্ধনের তথ্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চক্রান্তের বিষয়েও জানতে পারে।
এই বিষয়ে রাজিব নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে আসলে জামায়াত-শিবির সারা দেশ অচল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তাদের কুপরিকল্পনা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে টার্গেট করেছে। সরকারের উচিত যোগাযোগ মাধ্যমে মনিটরিং বাড়িয়ে ষড়ন্ত্রের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া।
