পাওনা টাকা চাওয়ায় কাল হলো শামসুল আলমের

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ ।
পাওনা টাকা চাওয়ায় কাল হলো শামসুল আলমের। প্রবাসের কষ্টার্জিত অর্থ চাচাকে মেয়ের বিয়েতে ধার দিয়েছিলেন। বছর তিনেক আগে সৌদি প্রবাসী শাসমুল আলম দেশে ফেরেন। এরপর চাচার কাছে পাওনা সেই ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ফেরত চান। কিন্তু চাচা জাফর আহমদ নানা গড়িমসি করতে থাকেন, কিন্তু টাকা ফেরত দেন না। শেষে বাধ্য হয়ে স্থানীয় মেম্বার সহ বিভিন্ন জনের কাছে নালিশও করেন। তারপরও টাকা ফেরত পাননি।

এঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসসুল আলমের সাথে চাচা জাফর আহমদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তর্কাতকিও হয় বেশ কয়েকদফা। এরই সূত্র ধরে গত বুধবার (২৩মে) হামলার শিকার হন সাবরাং ইউনিয়নের কচুবনিয়া গ্রামের মৃত আব্দু শুক্কুরর ছেলে শামসুল আলম(৫০)। হামলাকারীরা দাড়ালো দা-কিরিচ দিয়ে শামসুল আলমের গলায়, কাঁধে উপর্যপুরি কোপ দেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারী বিভাগে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

হামলার সময় শামসুল আলমের সাথে থাকা ছেলে মো. রাসেল জানায়, বুধবার রাত ১০টার দিকে সাবরাং নয়াপাড়া বাজারে নিজস্ব মোদী দোকান বন্ধ করে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন বাপ-ছেলে। এসময় কচুবনিয়া এলাকায় নিজ বাড়ির কাছাকাছি আসলে আগে থেকে উৎ পেতে থাকা শামসুল আলমের চাচা কচুবনিয়া গ্রামের গুরা আলির ছেলে জাফর আহমদ, শহর আলির ছেলে রফি আহমদ, জাফর আহমদের ছেলে আলী হোসেন ও কামাল হোসেন দা-কিরিচ নিয়ে তাদের পথরোধ করে। এসময় জাফর আহমদ ও রফি আহমদের হুকুমে আলি হোসেন ও কামাল হোসেন তাদের হাতে থাকা দাড়ালো কিরিচ দিয়ে শামসুল আলমের গলায় ও কাধে উপর্যপুরি কুপ দিতে থাকে। শামসুল আলম রক্তাক্ত অবস্থায় ঢলে পড়ে গেলে হামলাকারীরা চলে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী পার্শ্ববর্তী গ্রামের সিএনজি চালক খোরশেদ আলম জানায়, রক্তাক্ত অবস্থায় সামশুল আলমকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তিনি তার সিএনজিতে হাসপাতালে পৌঁছে দেন। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আঘাত গুরুত্বর থাকায় তাকে সাথে সাথে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখান থেকে তাকে চকেকে প্রেরন করা হয়। বর্তমানে চমেকে নিউরোসার্জারী বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তারা