শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি : নাইক্ষ্যংছড়ি কাঠ ব্যবসায়ী সমাজ কল্যাণ সমিতি, (রেজি নঃ বি/বান-২১৯/২০০৮), এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ”২৩ ফেব্রুয়ারীকে” সামনে রেখে এলাকায় বিভিন্ন পোস্টারে ছেয়ে গেছে। প্রার্থীরা ভোটারদের নিকট রাত দিন ছুটে চলেছে একটি ভোটের আশায়। যাকে যেখানে পাচ্ছে সেখানেই একটি ভোট কিংবা দোয়া চাচ্ছে। সব মিলে নির্বাচনী প্রচরণা তুঙ্গে। এই সমিতির মোট ১১টি পদের প্রতিদ্বন্দিতা করার কথা থাকলেও শেষ মেষ ২টি পদে ৪জনেই প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দিরা হলেন, সভাপতি পদে হোসেন আহাম্মেদ (বর্তমান সভাপতি) চেয়ার প্রতীক তার প্রতিদ্বন্দিতায় লড়ছেন মোঃ জুবাইরুল হক(সাবেক সাধারণ সম্পাদক) ছাতা প্রতীক নিয়ে এবং সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ ওসমান গণি (বর্তমান সাঃ সম্পাদক) ফুটবল প্রতীক তার প্রতিদ্বন্দিতায় লড়ছেন মোঃ হোছাইন (সাবেক অর্থ সম্পাদক) মাছ প্রতীক নিয়ে।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, সমিতির দ্বি বার্ষিকী নির্বাচনটি মূলত একটি সমাজ সেবা সংগঠনের নির্বাচন। তবে এই নির্বাচনকে ঘিরে কথিপয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অতি উৎসাহিত হয়ে প্রার্থীদেরকে পক্ষে বিপক্ষে ভাগ ভাগি করে রাজনৈতিক উত্তাপের পরিণত হয়। এর ফলে ভোট প্রচারণা উত্তাপ সঞ্চার হয়ে পড়েছে। তবে ভোটারেরা চাই রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে ভোট প্রদান অনুষ্টিত হউক। প্রার্থী সমর্থক বিষয় নিয়ে একাদিক ভোটারেরা জানান, এই নির্বাচন একটি সামাজিক সংগঠনের নির্বাচন। এই নির্বাচন এখন রাজনৈতিক নির্বাচনের আদলে প্রচার প্রচারণা হচ্ছে। এসব রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবে আমরা আদৌ মনের মত ভোট দিতে পারব কিনা সন্দিহান। তবে নির্বাচনী দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের প্রতি আমাদের আকুল আবেদ, কোন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যেন ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারেন সেই দিকেও লক্ষ রাখতে হবে।
স্থানীয় লোকজনের মধ্যেও এই নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে জোরেশোরে। প্রার্থীদের রাজনৈতিক, ব্যবসায়ীক ও ব্যক্তিগত পরিচয়, যোগ্যতা-দক্ষতা এবং কে বসবে সভাপতি সম্পাদকের চেয়ারে- শেষ মুহূর্তে এসব ভাবতে শুরু করেছে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলছেন আমরা দুর থেকে এই নির্বাচনকে হিসাব নিকাশ করে দেখতে পারছি এই বারের নির্বাচনে কমিটি পরির্বতন ঘটতে পারে। যদি রাজনৈতি প্রভাবমুক্ত হয়।
প্রার্থীরা বলছেন, ‘নির্বাচনে বিজয়ী হলে সমিতির সকল সদস্যদের স্বার্থে কাজ করে যাব।’ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে লড়ছেন চার সদস্য । সমিতির আগের নির্বাচন চেয়ে এবারে দুইটি পদে নির্বাচন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। ভোটারদের মন মানসিকতা বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।
আর এদিকে প্রচারণার শেষ দিনে গত বৃহস্পতিবার প্রার্থীরা দিনভর ছুটেছেন ভোটারদের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর। লক্ষ করা যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের আদলে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কেন্দ্র এলাকা। তবে শেষ হাঁসি কে হাঁসবে তার জন্য শুক্রবার কিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে সকলকে।
