: ২৬ জুলাই বোধবার বিকাল ৪.০০ ঘটিকার সময় হোটেল দ্যা কক্স টুডে সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল/গেষ্ট হাউস/কটেজ মালিক ও পরিচালকদের সাথে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে: কর্ণেল (অব:) ফোরকান আহমদ এর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষিষ্ঠত হয়।
উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন কউক এর সদস্য (প্রকৌশল) লে: কর্ণেল আনোয়ার উল ইসলাম, উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ সরোয়ার উদ্দিন আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম, হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন এর মুখ্যপাত্র মো: শাখাওয়াত হোসেন, হোটেল মোটেল গেষ্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি কাজি রাসেল আহমদ, সৈকত সমবায় সমিতির সভাপতি এড. ফরিদুল আলম, জিয়া গেস্ট হাউস মালিক শফিকুর রহমান প্রমূখ।
আলোচনায় হোটেল-মোটেল/গেস্ট হাউজ/কটেজ মালিকগণ আজকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আয়োজনকে স্বাগত জানান এবং তারা আজকের এই আয়োজনে কেন্দ্রীয়ভাবে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপনের ব্যাপারে কউকের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাছাড়া কউকের সারগর্ভ আলোচনায় আজকের পর থেকে সমুদ্র সৈকতে কোন প্রকার বর্জ্য/ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং সবধরণের সহযোগিতার আশ^াস প্রদান করেন। পাশাপাশি ইমারত নির্মাণ বিধিমালাসহ কউকের যাবতীয় আইন মেনে চলবে বলেও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি কউকের চেয়ারম্যান লে: কর্ণেল (অব:) ফোরকান আহমদ, এলডিএমসি, পিএসসি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিষ্ঠার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বক্তব্য শুরু করেন এবং কউকের গৃহীত প্রকল্প সমূহ সারসংক্ষেপ আলোচনা করেন। পরে তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন সকল হোটেল-মোটেল/গেস্ট হাউস/কটেজ মালিকগণসহ সবপক্ষকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সমুদ্র সৈকতে যেন কোন বর্জ্য/ময়লা-আবর্জনা না পড়ে সে ব্যাপারে সকলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, বিশে^র দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত আমাদের অহংকার। সবপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরায়নসহ সমুদ্র সৈকতকে বিশে^র দরবারে তুলে ধরা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রতিনিধি, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, কক্সবাজার পৌরসভার প্রতিনিধি, শৈবালের ব্যবস্থাপকসহ ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব, কউকের বোর্ড সদস্য এডভোকেট প্রতিভা দাশ, কউকের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী ফজলুল করিম, হোটেল মালিকগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি ও কউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
সবশেষে উপস্থিত হোটেল-মোটেল মালিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন কউক চেয়ারম্যান
