মাহাফুজুর রহমান,হোয়াইক্যং।
টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হোয়াইক্যং বাজারে দৈনিক ও সাপ্তাহিক হাটে চলছে অনিয়ম হতাশায় ভুগছে ক্রেতা-বিক্রেতা।
জানা যায় ,টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী হাটবাজার ছিল লালমতির হাট বর্তমানে হোয়াইক্যং বাজার হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
আশিরদশক হতে এই হাটে বিভিন্ন এলাকার মানুষ শামলাপুর, শীলখালী, মনখালী, হ্নীলা,খারাংখালী, রইক্ষ্যং ,পালংখালী, থাইংখালী,বালুখালী,উখিয়া ও বিভিন্ন এলাকা হতে শাক সবজি, মাছ, মাংস ক্রঁয়-বিক্রয় করার জন্য ছুটে আসত লালমতির হাটে (হোয়াইক্যং বাজার)।
বর্তমানে কিছু সংখ্যক এলাকার মানুষ নিয়ে সীমাবদ্ধ উক্ত বাজারের কার্যক্রম এখন বিভিন্ন গ্রামের মানুষ বাজারে দেখা যায় না বললেই চলে।
বিভিন্ন এলাকার মানুষ হোয়াইক্যং বাজারে না আসার কারণ খোঁজতে গিয়ে উঠে আসে একাদিক কালো বিড়ালের গল্প।
প্রতি বছর হোয়াইক্যং বাজার সরকারি ভাবে ডাক হয়। ধারাবাহিকতায় এই বছরও উক্ত বাজার ডাক পান জুনাইদ আলী চৌধুরী। হোয়াইক্যং কাটাখালী এলাকার ছৈয়দ আলী নামক এক ব্যক্তিকে বাজার রক্ষনাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের দায়িত্ব দেন। কিন্তু একটি সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে ছৈয়দ আলী নিয়মের তোয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করে যাচ্ছে।
নাম বলতে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা বলেন হোয়াইক্যং বাজারে ক্রয় বিক্রয়ের নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেয় নিজেদের খুশিমত বাজার নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে পাইকার নামক কিছু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী। তিনি আরো বলেন,আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে এই হতাশায় ভুগছি।
বিভিন্ন এলাকা হতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মাছ সবজি নিয়ে আসলে অল্পদামে পাইকারিদের নিকট বিক্রি করে চলে আসতে হয় অন্যথায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হতে হয় ক্রেতাদের।
কিছু দিন আগে বাহারছড়ার একজন মাছ ব্যবসায়ীকে খুচঁরা বিক্রির অভিযোগে মারতে আসে স্থানীয় এক পাইকারী মাছ ব্যবসায়ী।
যার কারণে পণ্য সামগ্রী সাধারন মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে ফলে বিভিন্ন এলাকার মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে হোয়াইক্যং বাজার থেকে এসব ঘটনার কারণে হোয়াইক্যং বাজারের সুনাম দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন এক পণ্যের দাম এক এক দোকানে এক এক রকম । সাধারণ মানুষের অভিমত এভাবে চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই বিলুপ্ত হতে পারে ঐতিহ্যবাহী এই হাটবাজার।
বাজারের টোল আদায়কারীর দায়িত্বে থাকা জৈনক ছৈয়দ আলী বলেন এইসব অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নয়। বাজার কমিটির সভাপতি আলমগীর চৌধুরী বলেন আমার বাজারে কোন অনিয়ম হচ্ছে না আমি বেঁচে থাকতে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
