জিয়াউল হক জিয়া, টেকনাফঃ
টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং এলাকায় অঘোষিত ঘাট চালু করেছে চিহ্নিত চোরাচালানীরা। বিজিবির চোখে ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন উনছিপ্রাং সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে আসছে মরণ নেশা ইয়াবা, মদ, বিয়ার,কারেন্ট জাল,সিগারেট সহ নানা আমদানী নিষিদ্ধ পন্য। বিনিময়ে যাচ্ছে পিয়াজ,ভোজ্য তৈল,স্পীড,টাইগার,জুস,পিজাপ সহ নানা খাদ্য দ্রব্য। এলাকার ৩ গডফাদারের নেতৃত্বে চলছে এ অবৈধ চোরাচালান ব্যাবসা। এ গডফাদারদের সাথে রয়েছে কতিপয় নেতানামধারী ব্যাক্তি ও।
জানা যায়, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা চোরাইপন্য আনা নেয়ার ফলে সীমান্তরক্ষী বিজিবি চোরাচালান কঠোর হস্তে দমন করতে এবং সীমান্তের পাহারা আরো জোরদার করতে উনছিপ্রাং এলাকায় একটি বিওপি(অভজারভেশন পোষ্ট) চালু করে। এলাকাসূত্রে প্রকাশ, বিজিবির ক্যাম্প হবার পর এলাকায় মাদকের ছড়াছড়ি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাড়ছে চোরাচালান ও। অভিযোগ রয়েছে, উনছিপ্রাং এলাকার চোলালানীদের সাথে বিওপির সাথে সাপ্তাহিক ও মাসিক চুক্তি রয়েছে। ফলে দেদারসে প্রতিদিন চোরাইপন্য পাচার হলে ও জব্দ বা আটকের সংখ্যা একেবারেই নেই। উনছিপ্রাং বিজিবির নাকের ডগায় চোরাইপন্য পাচার কালে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁিড়র পুলিশ বেশ কয়েকবার মদ,বিয়ার, কারেন্টজাল আটকের ও নজির রয়েছে। সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন চোরাচানীদের কয়েকজন দালাল রাত জেগে ষ্টেশনে বসে থাকে।বিজিবি ও পুলিশী টহলের প্রতি মিনিটের সংবাদ গদফাদারদের কাছে পৌছে দেয় দালালরা। উনছিপ্রাং খাল দিয়ে চোরাইপন্য এনে ভরপুর করে রাখে শিয়াইল্যাপাড়া রইক্ষ্যং ও কুতুবদিয়া পাড়ার পৃথক কয়েকটি বাড়ীতে। সুযোগ বুঝে পাচার করে হ্নীলা,হোয়াইক্যং সহ বিভিন্ন জায়গায়। এসব বাড়ীতে অভিযান চালালেই ধরা পড়বে চোরাইপন্য। এলাকাবাসী জানান, সীমান্ত এভাবে চোরাচালানীদের নিয়ন্ত্রনে চলে গেলে দেশের যুব সমাজের নৈতিক অধপতন হবে। এব্যাপারে উনছিপ্রাং বিজিবির মোবাইল নং ০১৭৬৯৬১১১৩২ যোগাযোগ করা হলে মোবাল সংযোগ দেয়া সম্ভব হয়নি।
