সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও এর অংশীদার সংস্থা আর্টোল্যুশনের সাথে মিলে শিল্পের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার অভাবনীয় উদ্যোগে যোগ দিয়েছেন কার্টুনিস্ট রাশাদ ইমাম তন্ময়। তন্ময় সম্প্রতি ভাসান চরে আশ্রিত শরণার্থীদের সাথে দেখা করে তাদের জীবনের গল্প শোনেন, এবং তাদের সবাইকে নিয়ে সেই সকল গল্প তুলে ধরেন এক বিশাল ম্যুরালের মাধ্যমে। এই ম্যুরালের ভেতরের ছোট ছোট পেইন্টিং-এ উঠে এসেছে শরণার্থীদের চাহিদা, কষ্ট, আশা ও স্বপ্নের খন্ডচিত্র।

বাংলাদেশ সরকারের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ইউএনএইচসিআর ও মানবিক সংস্থাগুলো ভাসান চরে বিভিন্ন পরিসেবা ও মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে। বর্তমানে প্রায় ২৭,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী ভাসান চরে আছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশই নারী ও শিশু। ইতোমধ্যেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, এবং স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, পুষ্টি, পানি ও পয়ঃনিস্কাশনের মত সেবাগুলো দেয়া হচ্ছে।

আর্টোল্যুশন কক্সবাজারে ও ১৭টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউএনএইচসিআর-এর সাথে কাজ করছে একইভাবে পেইন্টিং-এর মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে। ছবি ও শিল্প সাহায্য করে নিজস্ব সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও আত্মপ্রত্যয় বজায় রাখতে; এবং শরণার্থীরা এই ছবিগুলোর মাধ্যমে তুলে ধরছে তাদের আত্মপরিচয়, তাদের দুঃসহ অতীত, বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন।
ইউএনএইচসিআর ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ভাসান চরে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করছে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানের জন্য। চরে শরণার্থীদের সকল চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ চালিয়ে যেতে ইউএনএইচসিআর বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানায় এই কাজে তাদের নিয়মিত সহায়তা বজায় রাখতে।
