কক্সবাজার প্রতিনিধি : টেকনাফ সমুদ্র উপকূলে মালয়েশিয়াগামী ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ট্রলারের যাত্রী ৪ বাংলাদেশীসহ ৪৫ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। তারা সকলেই গভীর সাগরে অপেক্ষামান মালয়েশিয়াগামী বড়ো ট্রলারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড ও পুলিশ।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ জন বাংলাদেশী। বাকি ৩৩জন পুরুষ এবং ৮জন নারী বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানা যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে- মহেশখালীর ২ জন, টেকনাফ সাবরাং এর ১ জন, ঈদগাঁওয়ের ১ জন।
বাকিরা উখিয়ার বালুখালী, কুতুপালং, হাকিম পাড়া সহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

টেকনাফের বাহারছরা পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ পরিদর্শক নুর মোহাম্মদ জানান, আজ মংগলবার সকালে বাহারছরা ইউনিয়নের হলবনিয়া সমুদ্র সৈকতের কাছে সাগর উপকূলে একটি ছোট ট্রলার ডুবে যায়।
খবর পেয়ে বাহারছরায় কর্মরত কোস্ট গার্ডের একটি টহল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ সময় সাঁতার কেটে কুলে আসার সময় ৪দালালসহ ৩৯ জনকে উদ্ধার করে। দুপুর ১২টারদিকে মারিশবনিয়া থেকে আরো ৩জন পুরুষ ও ৩জন মহিলাকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরো জানান গতকাল রাতে একটি দালাল চক্র রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সমুদ্র পথে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য বাহারছরা ইউনিয়নের হলবনিয়া এলাকায় নিয়ে এসে একটি বাড়িতে রেখেছিল। আজ মংগলবার ভোরে ছোট ট্রলারে করে হলবনিয়া সৈকত থেকে রওয়ানা দিয়েছিল। সৈকত থেকে কিছুদূর গেলে সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

তিনি জানান, উদ্ধারকৃতদের বেশিরভাগ রোহিঙ্গা। কয়েকজন বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছে। এখনও তাদের নাম পরিচয় নেয়া হচ্ছে।
কোস্ট গার্ডের টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লে কমান্ডার আশিক আহমেদ জানান পৃথকভাবে ৪ বাংলাদেশী ও ৪১ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রলার ডুবির ঘটনায় আরো নিখোঁজ রয়েছে কিনা খোঁজ নেয়া হচ্ছে। এদিকে সাগরে ৩জন নারীর ভাসমান মৃতদেহ দেখতে পেয়েছে বলে স্থানীয় সুত্র দাবী করেছে।
