মুক্তিযোদ্ধা সোলতান আহমদ : ১৫ আগষ্টের ভোরে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বাংলাদেশের স্থপতি বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ বাস ভবনে সেনা বাহিনীর কতিপয় উচ্চাভিলাসী বিশ^াসঘাতক অফিসারদের হাতে নিহত হন। সেদিন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনীর মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা, বঙ্গবন্ধুর জৈষ্টপুত্র মুক্তিযোদ্ধা লেঃ শেখ কামাল, পুত্র লে শেখ জামাল, কনিষ্টপুত্র শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধু সোলতানা কামাল ও রোজি জামাল, বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসের, ভগ্নিপতি ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর কন্যা বেবী সেরনিয়াবাত, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, দৌহিত্র সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবু, ভ্রাতুষ্পুত্র শহীদ সেরনিয়াবাত, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব কর্ণেল জামিল আহমেদ এবং চৌদ্দ বছরের কিশোর আব্দুল নঈম খান রিন্টুসহ ১৭জনকে ঘাতকেরা হত্যা করে।
১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট মহামানব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ হবার পর দেশে সামরিক শাসন জারী হয়। গণতন্ত্রকে হত্যা করে মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। শুরু হয় হত্যা, ক্যু এবং ষড়যন্ত্রেও রাজনীতি। কেড়ে নেয় জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার।
বিশে^ মানবাধিকার রক্ষার জন্য হত্যাকারীদের বিচারের বিধান রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশে জাতির জনকের আত্নস্বীকৃত খুণীদের বিচারের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ২৬শে সেপ্টেম্বর এক সামরিক অধ্যাদেশ (ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স) জারী করা হয়। জেনারেল জিয়াউর রহমান সামরিক শাসনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স নামে এক কুখ্যাত কালো আইন সংবিধানে সংযুক্ত করে সংবিধানের পবিত্রতা নষ্ট করে। খুণীদের বিদেশে অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করেন।
(প্রিয় পাঠক, আমি ১৯৬৬সন থেকে দীর্ঘ ৫৪টি বছর আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। কথায় এবং কাজে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।)
পরিশ্রম আঘাত আর ত্যাগেই যার জীবন

সোলতান আহমদ
০১৮৬৬-৪৬৪১০৬
মুক্তিযোদ্ধা (মুজিব বাহিনী)
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,হ্নীলা ইউনিয়ন শাখা
টেকনাফ,কক্সবাজার। ###
