সাদ্দাম হোসাইন : টেকনাফের হ্নীলায় রোহিঙ্গা অধ্যূষিত জাদিমোরা এলাকায় চোরাইপথে রোহিঙ্গা পারাপারের আড়ালে মাদক কারবার জিইয়ে রাখার ঘটনায় তুমুল হৈ ছৈ চললেও এককেজি আইসসহ আদম পাচারকারী সিন্ডিকেটের এক সদস্য আটক হওয়ায় মুখোশের আড়ালে তাদের অপকর্ম নিয়ে শোরগোল চলছে।
সুত্র জানায়,গত ২৭নভেম্বর (শনিবার) রাত সাড়ে ৯টায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের দমদমিয়া বিওপির আওতাধীন জাইল্যাদ্বীপ এলাকায় দিয়ে মাদকের চালান আসার সংবাদ পেয়ে ব্যাটালিয়ন সদরের একটি বিশেষ টহল দল স্পীডবোট নিয়ে কৌশলী অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর কয়েকজন দুস্কৃতকারী একটি হস্তচালিত নৌকা নিয়ে শূন্য লাইন অতিক্রম করে বাংলাদেশ সীমান্তে অতিক্রম করলে বিজিবি জওয়ানেরা চ্যালেঞ্জ করে স্পীডবোট নিয়ে চারদিক থেকে ঘেরাও করে। নৌকায় থাকা কয়েকজন দূবৃর্ত্ত নৌকা থেকে লাফ দিয়ে সাতাঁর কেটে মায়ানমার সীমান্তে চলে গেলেও নৌকাসহ হ্নীলা জাদিমোরা নয়াপাড়ার মৃত জহির আহমদের পুত্র মোঃ রফিক মিয়া (৩৭) সহ নৌকাটি আটক করতে সক্ষম হয়। পরে নৌকাটি তল্লাশী করে ৫ কোটি টাকা মূল্যমানের এক কেজি আইস পাওয়া যায়।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের নবাগত অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান, নাফনদী হতে ক্রিস্টাল মেথসহ আটক মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের পর টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,জাদিমারা-নয়াপাড়া পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে ধৃত রফিক বিভিন্ন বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে বিশেষ সিন্ডিকেট গঠন করে চোরাইপথে রোহিঙ্গা পারাপার করে আসছে। এরই আড়ালে বিশেষ গডফাদারদের সাথে আতাঁত করে বিভিন্ন ধরনের মাদকের চালান খালাস করে আসছে। নয়াপাড়ার মৃত জহির আহমদের পুত্র রফিক মিয়া, মৃত মোহাম্মদ দেওয়ানের পুত্র মিজান, আব্দুল মজিদের পুত্র আলী হোছন, মীর আহমদের পুত্র ইসলাম, জহির আহমদের পুত্র আবছার, জনৈক বার্মাইয়া লাল মোহাম্মদের পুত্র আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে শক্তিশালী সিন্ডিকেট সীমান্ত অপরাধ চালিয়ে আসছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আসার দাবী জানিয়েছে এলাকার সচেতনমহল। ###
