হুমায়ূন রশিদ : হ্নীলায় শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত দুই ব্যক্তি রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
জানা যায়, গত ২৯ মার্চ রাত ৯টায় হ্নীলা মৌলভী বাজার দক্ষিণ পাড়ায় বিকালে ব্র্যাক স্কুল পড়–য়া জনৈক মুফিদ আলমের মেয়ে ও কবিরের মেয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৯টারদিকে মুফিদ আলমের বোন জামাই ও মৃত আব্দু শুক্কুরের পুত্র জাফর আলম (৩২) মুঠোফোনে কথা বলে বাজার হতে বাড়ির যাওয়ার সময় কোন কারণ ছাড়াই প্রতিবেশী অলি হোছনের পুত্র ইয়াবা গডফাদার কবির হোছন ও মোঃ রশিদ, কাদির হোছনের পুত্র রবি আলম, মৃত লাল মিয়া মাষ্টারের পুত্র ছৈয়দ আলম, ইসলাম মিয়ার পুত্র কামালসহ একটি গ্রুপ মিলে দা, কিরিচ, ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। এসময় ঝগড়া থামাতে গিয়েই স্থানীয় কালা মিয়ার পুত্র সেকান্দর ছুরিকাঘাত হয়। প্রতিবেশী এবং স্বজনেরা গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত জাফর আলম এবং সেকান্দরকে উদ্ধার করে হ্নীলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দু’জনকে কক্সবাজার রেফার করে। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় জাফরকে চমেক হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আহতের স্বজনেরা জানান, হামলাকারীরা মাদকের গরম টাকায় সাধারণ মানুষকে তোয়াক্কা করছেনা। কথায় কথায় সাধারণ মানুষের উপর হামলা করতে দ্বিধাবোধ করেনা। এসব অপরাধীদের দ্রæত আইনের আওতায় আনার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত মোহাম্মদ রশিদ জানান, তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। কেন ঝগড়া হয়েছে কারা করছে তা জানিনা। আমি বাজার হতে গিয়ে নেমে দেখি যে, লোকজন একজন আরেকজন গালি-গালাজ করতে শুনেছি।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার ফরিদুল আলম,সন্ত্রাসী হামলায় জাফর আলম গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সত্যতা স্বীকার করেন।
