হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফের হ্নীলায় স্বশস্ত্র দুই ডাকাত গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষের পর ১৬এপিবিএন পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেশীয় লম্বা বন্দুক, বুলেট, রামদা ও চাকু নিয়ে পিতা-পুত্রসহ ৩জনকে আটক করেছে।
সুত্র জানায়, ২২ নভেম্বর (সোমবার) ভোররাত সোয়া ৪টায় ২৪নং লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-এ/১৪ এর খোলা মাঠে ডাকাতি প্রস্তুতির খবর পেয়ে নয়াপাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত ১৬এপিবিএন ক্যাম্পের অফিসার ও ফোর্স অভিযান চালিয়ে পশ্চিম লেদার মৃত হায়দর আলীর পুত্র জামাল হোসেন (৪৫) ওরফে জামাল ডাকাত, জামাল হোসেনের পুত্র মোঃ হামিদ (২১) এবং আব্দুল জলিলের পুত্র মোঃ ইলিয়াস (১৬) কে আটক করে। তার নিকট হতে ১টি একনলা বন্দুক, ২ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩টি রামদা ও ১টি ষ্টীলের চাকু উদ্ধার করা হয়। ধৃত জামালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত দেড় ডজনের মতো মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
কক্সবাজার ১৬ এপিবিএন অধিনায়ক এসপি মোঃ তারিকুল ইসলাম তারিক জানান,এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত অস্ত্রাদিসহ ধৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে স্থানীয় সুত্র জানায়,গতকাল ২১নভেম্বর (রবিবার) দুপুর ২টারদিকে পশ্চিম লেদার আব্দুল গফুরের পুত্র ডাকাত রুবেল, টুইল্ল্যার পুত্র রবিউল হাসান রবুসহ ৩/৪জনের সাথে জামাল ডাকাত গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপক্ষ আরেক পক্ষকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এই ঘটনার পর ভোররাতের এই অভিযানে অনেকের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ মনে করেন প্রকৃত অপরাধী, সন্ত্রাসী, ডাকাত, চাঁদাবাজ, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের সদস্যরা যে দলের বা গ্রæপের হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে। ###
