ফরিদুল আলম : হ্নীলায় বাপের বাড়ি গিয়েই এক গৃহবধু দারকোপে রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এই ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত ১৬মে টেকনাফ থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চলতি মাসের ১১মে সকাল ১১টায় হ্নীলা আলী আকবর পাড়ার মোহাম্মদ হোছনের স্ত্রী নুরুন্নাহার (৩০) তার আহত বোনকে দেখতে হ্নীলা মৌলভী বাজার মাঝের পাড়া মরহুম পিতা সোলতান আহমদের বাড়িতে যাওয়ার পথে হোয়াইক্যং কাঞ্জর পাড়ার নজু মিয়ার পুত্র হেলাল উদ্দিন (৩৮), মৌলভী বাজার মাঝের পাড়ার মৃত নুরুল আলমের পুত্র আব্দু শুক্কুর (২৫), নুরুল আলমের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (৪০), হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী রুনা আক্তার (৩০), নুরুল আলমের মেয়ে রিমা আক্তার (২৫) মিলে পৃথক দারকোপে মাথা ও ডান রক্তাক্ত হয়। এরপর অন্যরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মেরে জখম-ফোলা করে মাটিতে ফেলে রেখে হাকাবকা করে বীরদর্পে বাড়িতে চলে যায়।
পরে খবর পেয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর উপরোক্তদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এদিকে স্থানীয় সুত্র জানায়, হোয়াব্রাং এলাকার এক ব্যক্তি জনৈক মরিয়ম খাতুনের বাড়িতে এসে প্রায় সময় রাত কাটায় এবং সকালে চলে যায়। তা নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে আহতের বোন ধলা বিবি তাতে সায় দেন। এরই জেরধরে গালমন্দ ও ঝগড়ার উপক্রম হয়। নুর নাহার ছোট বোনের উপর এই ধরনের আচরনের খবর পেয়ে বাপের বাড়ি গিয়ে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হতে চাইলে বিবাদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে গালমন্দ করে দা ও লাঠিসোটা নিয়ে ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে।
এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করে দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে ভূক্তভোগী পরিবারসহ সুশীল সমাজ। ###
