ফরিদুল আলম : হ্নীলায় ৪/৫বছর প্রেম করে আনুষ্ঠানিক বিয়ের পর ৮/৯বছর সংসার করার পরও এক গৃহবধু মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী এবং মক্তবে পড়ুয়া ৭ বছরের সন্তান ফেলে পরকীয়া প্রেমিকের হাতধরে পালিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়,চলতি বছরের গত জুলাই মাসের মাঝামাঝির দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়ার আবু আহমদের মালয়েশিয়া প্রবাসী পুত্র মোহাম্মদ নুর (৩৫) এর স্ত্রী এবং স্থানীয় মৃত জকির আহমদ জকুর মেয়ে পারভীনা আক্তার (২৮) ঘরে থাকা মক্তবে পড়ুয়া ৭বছরের সন্তান রিদুওয়ান প্রকাশ হৃদয়কে ফেলে প্রবাসী মোহাম্মদ নুরের ২লাখ টাকা ও ২ভরি স্বর্ণালংকারসহ পরকীয়া প্রেমিক সিএনজি চালক প্রতিবেশী বাঁচা মিয়ার পুত্র নীর আহমদ (২৬) এর হাতধরে অজানার উদ্দেশ্যে স্বামীর সংসার ছেড়ে পালিয়ে যায়।

প্রবাসী মোহাম্মদ নুর জানান, বিয়ের আগে পারভীনার সাথে আমার ৪/৫বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরই জেরধরে পারিবারিক সিদ্ধান্তমতে তাকে বিয়ে করি। আমার প্রথম সন্তান হৃদয় ভূমিষ্ট হওয়ার ৫/৬দিন পর তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মালয়েশিয়ায় টাকা উপার্জনের জন্য চলে আসি। তার নিয়মিত ভরণ-পোষণ ছাড়াও একমাত্র ছেলে হৃদয়ের ভবিষ্যতের জন্য ২লাখ টাকা পারভীনার নিকট জমা রাখি। সে আমার জমানো ২লাখ টাকা ও ২ভরি স্বর্ণালংকারসহ একমাত্র ছেলেকে এতিম করে পরকীয়া প্রেমিকের হাতধরে পালিয়ে যায়। আমি আমার ছেলের জন্য জমানো ২লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (১,২ ও ৪নং ওয়ার্ডের) মহিলা মেম্বার ফরিদা বেগম জানান, প্রবাসী স্বামী ও সন্তান ফেলে পরকীয়া প্রেমিকের হাতধরে গৃহবধৃ পালানোর সত্যতা স্বীকার করেন।
এদিকে প্রেম করে বিয়ের পর দীর্ঘদিন সংসার করে প্রবাসী স্বামী এবং সন্তানকে ফেলে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে সিএনজি চালক স্থানীয় পরকীয়া প্রেমিকের হাতধরে পালানোর ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি তোলপাড় চলছে। এই ধরনের ঘটনার পর অন্যান্য প্রবাসীদের স্বজনদের মধ্যেও এক প্রকার দু:শ্চিন্তা বিরাজ করছে। ###
