টেকনাফ টুডে ডেস্ক : হ্নীলায় প্রকাশ্যে দিনে বোরকা পরিহিত অভিনব কায়দায় বসত-ঘরে অবস্থান নিয়ে একাকী গৃহবধুকে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়েছে। এই ঘটনায় বাঁধা দিতে গিয়ে গৃহবধুসহ দূবৃর্ত্তদলের এক সদস্য রক্তাক্ত হয়েছে। রক্তাক্ত গৃহবধুকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২৮ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল সাড়ে ৪টারদিকে হ্নীলা পূর্ব পানখালীর হোয়াকিয়া পাড়ার মৃত কামালের পুত্র মোঃ হারুনের ভাড়াবাসায় মোস্তাকের কক্ষে অবস্থানরত আক্তার ফারুকের স্ত্রী ১সন্তানের জননী কহিনুর আক্তার (২৩) বাহির থেকে ঘরে প্রবেশের পর পূর্ব থেকে কৌশলে অবস্থানে থাকা দূবৃর্ত্ত দল গৃহবধুকে হাত-পা, মুখ বেঁধে ঘরের মেঝেতে শুয়ে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রাখার সময় এক দূবৃর্ত্ত সদস্য নিজ চুরিতে রক্তাক্ত হয়। এরপর আলমিরা খুলে নগদ টাকা ২লাখ ১৭ হাজার, ২টি আংটি, স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া কানের দুলসহ আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার এবং ২টি মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর মোস্তাক, স্ত্রী সানজিদা ও ছেলে মশিউর উক্ত ঘরের সামনে গিয়ে দরজা বন্ধ পেয়ে কহিনুরকে ডাক দেয়। সাড়া না পেয়ে অপর পাশ থেকে মশিউর গিয়ে দেখে কহিনুর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। তখন মশিউর এই করুন অবস্থা দেখে আব্বু বলে চিৎকার করে দরজা খুলে দেয়। তখন তারা ঘরে ঢুকে কহিনুরের হাত-পা খুলে দিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হ্নীলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। চিকিৎসা নেওয়ার পর গুরুতর আহত গৃহবধুকে বাড়িতে আনা হয়।

ঘরের মালিক মোস্তাক জানান,দিনের বেলায় দূধর্ষ এই ঘটনায় আমি চরম মর্মাহত। বিষয়টি আইন-শৃংখলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত স্বাপেক্ষে আইনীপদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
