বিশেষ প্রতিবেদক :
টেকনাফের হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়া এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক এলাকার ইয়াবা গডফাদার শাহ ইমরান প্রকাশ পুতিয়া মিস্ত্রীর কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ হিসেবে জানতে চাইলে কারণ হিসেবে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক শত শত এলাকার ভুক্তভোগী বিদ্যুৎ গ্রাহক জানিয়েছেন সম্প্রতি গত ৩০ মে বয়ে যাওয়া প্রলংকরী ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়াস্থ পুতিয়া মিস্ত্রীর মার্কেট এলাকায় স্থাপিত একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে গিয়ে ঐ এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যাংক ক্ষয়-ক্ষতি হয় বলে জানায়। এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দিলে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ উল্টো এলাকার জনৈক ইয়াবা ব্যবসায়ী কর্তৃক বৈদ্যুতিক খুঁটির পাশের মাটি কেটে খানা খন্দকে পরিণত করায় এ বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে গেছে বলে দাবী করে। নিজ দায়িত্বে ঐ বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করার ব্যবস্থা না করলে ঐ এলাকার মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে আরো অনেক দেরী হবে বলে জানান। কারণ ঘুঁর্ণিঝড় মোরায় টেকনাফ এলাকায় ব্যাপক বিদ্যুতের ক্ষয়-ক্ষতি হয়। এ ক্ষয় ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ মরিয়া। তাই এখনই এসব লম্বা ঝামেলায় যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে ঘুর্ণিঝড় মোরা’ শেষ হওয়ার নয় দিনের মধ্যে প্রায় এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেও চলমান পবিত্র মাহে রমজান মাসে অধিকতর জনবহুল এ এলাকায় গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়াতে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে ইমরান প্রকাশ পুতিয়া মিস্ত্রী এলাকার আজিজুল হক মিস্ত্রীর ছেলে সম্প্রতি পুলিশের হাতে পরিবারের ৫ সদস্যসহ আটক হয়ে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ছাড়া পায় বলে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী মুখ খুলতে সাহস পায় না। সে বর্তমানে বাজার-লেচুয়াপ্রাং রোডে তার মার্কেট এলাকায় খানা-খন্দক করে রাস্তার ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করে। এটা যাতে বুঝা না যায় বর্তমানে সুড়ঙ্গ পথের উপর দিয়ে স্পিট ব্রেকার দিয়ে ঝাপিয়ে দিয়েছে। এলাকাবাসী বলছে ওখানে কোন স্পিট ব্রেকারের প্রয়োজন নেই। এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ হ্নীলা অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র কারণে পড়েনি; ব্যক্তির স্বার্থে বৈদ্যুতিক খুঁটির গোড়া থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাতে আমাদের করার কিছু নেই।
