বার্তা পরিবেশক :: গত ২৭ অক্টোবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত পরিবর্তন ডটকম ও ২৮ অক্টোবর স্থানীয় অনলাইন এবং পত্রিকায় প্রকাশিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ২১জনপ্রতিনিধি,এরা কারা শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি এই ভিত্তিহীন তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রমাণের জন্য চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছি।
আমি বাহারছড়া ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত ও আর্থিক স্বচ্ছল পরিবারের একজন সন্তান হিসাবে
এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেন। আল্লাহ আমাকে সততার সাথে স্বপরিবারে চলার তাওফিক দিয়েছেন বিধায় কোন প্রকার দূর্নীতি ও মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। এই অবৈধ ও ঘৃণিত আয় দিয়ে আমি সংসার চালাতে মোটেও রাজি না।
আমার পারিবারিক প্রচুর সম্পদ থাকার পরও আমি নিজে সম্মানের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা বানিজ্যের মাধ্যমে সংসার ও জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। আমার নিজস্ব মালিকানাধীন ফিশিং ও বরফ কল রয়েছে। যা থেকে আমার আল্লাহর রহমতে যথেষ্ট আয় হয়ে থাকে। দোকান ও ঘর ভাড়া বাবদও আমাদের প্রচুর টাকা আয় হয়ে থাকে। কাজেই কখনো অবৈধ ও হারামের ব্যবসা করার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারি না। আমার এ ধরনের কোন অতীত রেকর্ড নেই। কিন্তু হঠাৎ করে সংবাদপত্র মাধ্যমে ইয়াবা ব্যবসায়ী ২১জন জনপ্রতিনিধির তালিকায় আমার নাম দেখে বিস্মিত হয়েছি। মূলত আমি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় অনেকের চক্ষুশোল হয়েছি। প্রতিপক্ষের যোগ-সাজশে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়পন্ন করার উদ্দেশ্যে এই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমি মানহানিকর, ভূঁয়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমি এলাকায় সর্বদা মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্ছার থেকেছি। এর ফলে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালান সংশ্লিষ্ট চক্র সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ক্ষুদ্ধ হয়ে এই তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করিয়েছেন বলে আমি মনে করি। এই বিষয়টি প্রকাশ্যে তদন্তের জন্য আমি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি বিনীত আহবান জানিয়ে আমার শুভাকাংখী ও সর্বস্তরের জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান করছি। মহান আল্লাহ সহায়।
মো: ইউনুচ মেম্বার
ইউপি সদস্য
১নং ওয়ার্ড, বাহারছড়া ইউনিয়ন
টেকনাফ, কক্সবাজার।
