হ্নীলার মোচনী-লেদায় ইয়াবা খালাস ও লুটপাট নিয়ে লংকাকান্ড ; সাধারণ মানুষ হয়রানির আশংকা!

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলা মোচনী এবং দক্ষিণ-পূর্ব লেদা পয়েন্টে জনৈক রোহিঙ্গা মাঝির ইন্দনে মাদকের চালান খালাস ও লুটপাট নিয়ে তুমুল হৈ-ছৈ চলছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে একাধিক আইন প্রয়োগকারী ও নির্ভরযোগ্য সংস্থার লোকজন বিষয়টি নজরদারীতে রেখেছে। এরই মধ্যে আত্নসমর্পণ করে হাজত বাসের সৎপথে থাকা অনেকে এবং চলমান স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের গ্রাম্য রাজনীতির খেলায় কথিত সুযোগ সন্ধানীর কারণে আবারো ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় হয়রানির আশংকা করছেন। তাই এসব এলাকায় সক্রিয় থাকা অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,চলতি মাসে জুডেই হ্নীলা মোচনী-লেদা গ্রামের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের ইয়াবার চালান খালাস ও লুটপাটের ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মোচনীতে স্থানীয় জাফর সিন্ডিকেটের সদস্যরা এই চালান হতে ৬০হাজার পিস ইয়াবার চালান লুটপাট নিয়ে ঐ গ্রামে তুমুল হৈ ছৈ চলছে। অবশিষ্ট বড় ধরনের ইয়াবার চালানটি ঐ গ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী গডফাদারের তত্তাবধানে চলে যায়। এই গ্রামের লোকজনের বেশীর ভাগই সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের সদস্য। রোহিঙ্গা ক্যাম্প অধ্যূষিত হওয়ায় নানা ধরনের অপরাধে সম্পৃক্ত রয়েছে। তাই তারা প্রাণ যাওয়ার উপক্রম হলেও কারো নিকট এই অপতৎপরতার তথ্য প্রকাশ না করায় দিনের পর দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

এদিকে ২২জুন বাদে মাগরিব দক্ষিণ-পূর্ব লেদা ছুরিখালে মাঝখান ধোয়াঘাট হতে ২৬নং ক্যাম্পের এস-৪ এর মোঃ সালাম মাঝি স্থানীয় আমির হোছনের পুত্র বেলালসহ একটি চক্র মাদকের চালান খালাসের সময় লুটপাট ও ভাগ-বাটোয়ারা হয়। এই পুরো মাস জুড়ে দফায় দফায় মাদকের চালান খালাস ও লুটপাট নিয়ে তুমুল হৈ ছৈ অব্যাহত ছিল। অপরদিকে এই ঘটনার পরদিন ভোরে পূর্ব লেদা লামার পাড়া পয়েন্ট দিয়ে খালাস করে আনার সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি লুট করে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়। এই ঘটনায় সর্বশেষ উত্তর লেদা টাওয়ারের পূর্ব পাশে আরো একটি মাদকের চালান লুটপাট নিয়ে দু,পক্ষের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে। এছাড়া পুরো লেদায় এসব মাদকের চালান ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার গুঞ্জন উঠেছে। এদের মধ্যে অনেককে শত্রুতামূলক মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হচ্ছে বলে দাবী করেন।

এসব অপরাধ বিষয়ে সচেতন মহল জানান,এখন লেদা গ্রাম এলাকা রোহিঙ্গা অধ্যূষিত হওয়ায় উপরোক্ত অপরাধী ছাড়া অনেকে নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এমন কি আত্নসমর্পণ করে আসা ২/৩জন এসব অপরাধে জড়িত হওয়ায় আমরা শংকিত। আমরা যারা এত কষ্ট ভোগের পর স্বাভাবিক দিনযাপন করতে চাই ; এখন খুবই কষ্টে আছি। এদিকে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের চক্রান্তে কতিপয় কথিত সোর্সও জড়িত হওয়ায় মিথ্যা মামলায় হয়রানির শংকায় আমরা চরম উদ্বিগ্ন রয়েছি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নিরূহ লোকজন হয়রানির শিকার হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে সর্তক থাকার জন্য সর্বস্তরের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ##
(এলাকায় একই নামের একাধিক ব্যক্তি থাকার বিভ্রান্তি এবং ইয়াবার ফাদার, ভাড়াটে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী-ডাকাত দলের অপতৎপরতার কারণে নাম উহ্য রাখা হল)