নিজস্ব প্রতিবেদক : হ্নীলায় বিরোধীয় জমি নিয়ে দুপক্ষের মামলা-মোকদ্দমার জেরধরে বাদীপক্ষ উক্ত জমিতে সংঘাত এড়িয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত উভয়পক্ষকে সর্তক করে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করে। কিন্তু মামলার বাদী আব্দুল হামিদ গং নিজেই আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থানীয় প্রভাবশালী এবং ভূমিদস্যুদের ছত্রছায়ায় মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে ভূক্তভোগী পক্ষ আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা যায়, কক্সবাজারে টেকনাফ সহকারী জজ আদালতে আব্দুল হামিদ গং অপর মামলা ২৯৭/২০২২ইং মোকদ্দমা দায়ের করে। এতে হ্নীলা ফুলের ডেইলের মীর কাশেমের পুত্র আবদুশ শুকুর, আবদুর রহিম, মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং ইজ্জত আলীর পুত্র মীর কাশেমকে বিবাদী করা হয়। এদিকে আব্দু শুক্কুর গংয়ের স্বত্ব দখলীয় বি,এস ১৫৩৩নং খতিয়ানের বিএস ১১২৭৮ তৎ সামিল দিয়ারা ১৬৭৬নং খতিয়ানের ১৯৮২২দাগের ১.০৩একর জমি নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। মামলার বাদী আব্দুল হামিদ গং আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৩মার্চ বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। চলতি মাসের ১৬মার্চ হতে ৩০মার্চ পর্যন্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। উক্ত নিষেধাজ্ঞার বিবাদীরা আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পরবর্তী চুড়ান্ত ফায়সালার জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখেন। কিন্তু উক্ত নিষেধাজ্ঞার বাদীপক্ষ তা অগ্রাহ্য করে পেশী শক্তির দাপট ও টাকার প্রভাব খাটিয়ে আইনের তোয়াক্কা করছেনা।
বিবাদী পক্ষের মীর কাশেম জানান,আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল রয়েছি কিন্তু নিষেধাজ্ঞার বাদী সুচতুর আব্দুল হামিদ গং উক্ত বিরোধীয় জমির পার্শ্ববর্তী এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী এবং সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে আতাঁত করে আইনের লঙ্গন করছে। যা খুবই দুঃখজনক। পশ্চিম লেদার স্থানীয় মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র বোরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ ডাম্পারযোগে বিরোধীয় জমিতে মাটি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে আদালত ও স্থানীয় আইন-শৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ###
