হুমায়ূন রশিদ : মা-বাবাকে ফাঁকি দিয়ে টেকনাফের হ্নীলা নাফনদীতে কেওড়া ফল আনতে গিয়েই ভরা জোয়ারের পানিতে ডুবে শিশু সহোদরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,৬সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউপির ৯নং ওয়ার্ড উত্তর রোজারঘোনার আবুল হোছনের পুত্র মুহাম্মদ ওসমান (৮) এবং মুহাম্মদ জিসান (৬) মা-বাবাকে ফাঁকি দিয়ে নাফনদীতে কেওড়া ফল আনতে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টারদিকে হ্নীলা হোয়াব্রাং ছৈয়দ নুর পাড়া ও হোয়াব্রাং পোস্টের মাঝামাঝি স্থানে তাদের পানিতে ডুবে যেতে দেখে পার্শ্ববর্তী লোকজন উদ্ধার করতে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছার কিছুক্ষণের মধ্যে ১জনকে মৃত পেলেও ১০মিনিট পর অপরকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয়রা মৃতদের পরিচয় না পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে মা-বাবা ও স্বজনেরা এই শিশু সহোদরের মৃতদেহ সনাক্ত করে। এদিকে নিহত ওসমান রোজারঘোনার একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র বলে জানা গেছে। জুমার পর পরিবারের লোকজন এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, জুমার নামাজের পর স্থানীয় লোকজন হতে অবগত হই দুই শিশু নাফনদীর পানিতে ডুবে মারা গেছে। পরে তাদের পরিচয় সনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের লোকজন এসে নিয়ে গেছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মুহাম্মদ ওসমান গণি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, নাফনদীতে দুই শিশু পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার খবর পেয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নৌপুলিশের ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ###
