সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
অদ্য ০১ মার্চ ২০১৮ তারিখ ০৭০০ ঘটিকা হতে ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির হাবিলদার মোঃ মোক্তার হোসেন এর নেতৃত্বে একটি টহলদল হোয়াইক্যং চেকপোষ্টে যানবাহন তল্লাশীর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। আনুমানিক ১০০০ ঘটিকায় টেকনাফ হতে কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাস (নম্বর চট্টমেট্রো-ছ-১১-১৫৩৯) হোয়াইক্যং চেকপোষ্টে পৌঁছলে কর্তব্যরত টহলদল সিগন্যাল দিয়ে থামায়। অতঃপর মাইক্রোবাসের চালককে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় টহলদল উক্ত মাইক্রোবাসে ব্যাপকভাবে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীকালীন টহলদল উক্ত মাইক্রোবাসের জানালার নীচের বডিতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ একটি প্লাষ্টিকের পাত দেখতে পেয়ে স্ক্রূ ডাইভার দ্বারা খুললে এর ভেতর সাদা পলিথিন দ্বারা মোড়ানো একটি প্যাকেট দেখতে পায়। এমতাবস্থায় মাইক্রোবাসের চালককে আটক করতঃ ঘটনাস্থলে উপস্থিত বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রাপ্ত প্যাকেটটি খুলে গণনা করে ১,৩৯,২০,০০০/- (এক কোটি উনচল্লিশ লক্ষ বিশ হাজার) টাকা মূল্যমানের ৪৬,৪০০ (ছেচল্লিশ হাজার চারশত) পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও ১২,০০,০০০/- (বার লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ০১ (এক) টি মাইক্রোবাস, নগদ ২,০০০/- টাকা এবং ৫,০০০/- টাকা মূল্যমানের ০১ (এক) টি মোবাইল ফোন আটক করা হয়। ধৃত আসামীর (মাইক্রোবাসের চালক) নাম ও ঠিকানা।
মোঃ রমজান আলী (২০), পিতা-মোঃ মকবুল হোসেন, গ্রাম ও পোঃ-মরিচ্যা, থানা-উখিয়া, জেলা-কক্সবাজার।
নিষিদ্ধ ঘোষিত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসের বডির সাথে অভিনব কৌশলে ফিটিং করে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়ার অপরাধে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করতঃ জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট, মাইক্রোবাস, মোবাইল ফোন এবং বাংলাদেশী নগদ টাকাসহ ধৃত আসামীকে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
