হোয়াইক্যংয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর উপর হামলা : ঘেরা-বেড়া ভাংচুর

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

শাহীন শাহ : হোয়াইক্যং পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে চিহ্নিত দূর্বত্তরা। আহত নারী রজিয়া আক্তার (২৫) টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে। সে প্রবাসী হোসেন আহমদের স্ত্রী।

৮ এপ্রিল সকাল ১০ টারদিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার পূর্ব সাতঘরিয়াপাড়া গ্রামে প্রকাশ্যে দিবালোকে এ ঘটনা ঘটায়।

তারা শুধু ওই তিন সন্তাজের জননীকে হামলা করে ক্ষান্ত হননি, ব্যাপকভাবে ঘেরাবেড়া ভাংচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এসব দূর্বত্তদের হাকা-বাকা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ করেন অসহায় রাজিয়া আক্তার।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজিয়া বেগমের স্বামী হোসেন আহমদ বিগত সাত বছর পূর্বে সৌদি আরব পাড়ি জমান। সেই সুবাধে গত বছরে দালানঘর নির্মাণ এবং পূর্বশত্রæতার জের ধরে একই এলাকার চিহ্নিত দূর্বৃত্তদের রোষানলে পড়তে শুরু করে। তখন থেকে ওই নারীকে রীতিমতো শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন ও হয়রানি শুরু করে তারা। এরই প্রেক্ষিতে সকালে কোনো কারণ ব্যতীত গালাগাল শুরু করে। এর প্রতিবাদ করলে দূর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে এলোপাতারি কিল, ঘুষি লাঠিসোটা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতরভাবে জখম করে। এ সময় ওই নারী শোর চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রবাসীর ঘেরাবেড়া কেটে ফেলে।

রাজিয়া আক্তার জানান, দ্রুত চিকিৎসা নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শন শেষে পুলিশ ফিরে গেলে আমির হোসেন বৈদ্যের ছেলে আলী আহম্মদ ও তার ছেলে সৈয়দ হোসেন, জামাল হোসেন, এবং নুর হোসেন বেপরোয়া হয়ে ধর্ষণ, হত্যা অপহরণ সহ নানাভাবে হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি ফের বাড়িঘর ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। সৈয়দ হোসেন একজন ইয়াবা ডিলার এবং তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এসব সন্ত্রাসীদের কাছে দেশী বিদেশী অস্ত্র রয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিন সন্তান নিয়ে রাজিয়া আক্তার নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ীর এএসআই অহিদ উল্লাহ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষনিক অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযুক্তদের পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।