হোয়াইক্যং খারাংখালীতে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরধরে অগ্নিসংযোগে ভাড়া বাসা পুড়ানোর চেষ্টা

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৩ years ago


সাদ্দাম হোসাইন : টেকনাফের হোয়াইক্যং খারাংখালীতে ব্যবসায়িক এবং ভাড়া বাসা নিয়ে দ্বন্দের জেরধরে এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর ভাড়া বাসায় আগুন দিয়ে জ¦ালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে দূবৃর্ত্ত চক্র। এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে উপজেলার হোয়াইক্যং পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার মৃত আবুল মঞ্জুরের পুত্র ও খারাংখালী বাজারের রড,সিমেন্ট ও হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী সাঈদ আলম জানান,২৬ সেপ্টেম্বর ভোররাত ৪ টারদিকে পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার বাড়ির পাশের ভাড়াবাসায় একদল দূবৃর্ত্ত এসে বাহির থেকে দরজা বন্ধ করে ভাড়া বাসার ছাউনির কাঠে আগুন লাগিয়ে দেয়। ভাড়াটিয়া লোকজন অগ্নিসংযোগের বিষয়টি আঁছ করতে পেরে বাহির হওয়ার চেষ্টা করলে দরজা বন্ধ পায়। পরে শোর-চিৎকার করে বিকল্প পথ দিয়ে বের হলে কয়েকজন দূবৃর্ত্তকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।

উক্ত বিষয়ে দুপুরে ভাড়া বাসার মালিক সাঈদ আলম বাদী হয়ে একই ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাছর পাড়ার মৃত সোলাইমানের পুত্র নবী হোসেন (৪২) ও পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার মৃত ঠান্ডা মিয়ার পুত্র ভূলু সওদাগর (৫৫) কে আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

ভাড়া বাসার মালিক সাঈদ আলম জানান, এলাকায় আমার ব্যবসা ও এই ভাড়া বাসা নিয়ে তাদের সাথে বিরোধ ছাড়া কারো সাথে আমার কোন ধরনের খারাপ সর্ম্পক নেই। শত্রæমহল অথবা তাদের ভাড়াটে লোক না হলে ভাড়া বাসা পুড়িয়ে সাধারণ মানুষের কি লাভ তা সবাইকে ভেবে দেখার আহবান জানান।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত আসামী নবী হোসেন জানান, রাতের অন্ধকারে আগুন দিয়ে ভাড়া বাসা পুড়ানো চেষ্টার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। গত দুই বছর ধরে সাঈদ আলমের সাথে আমার কোন কথাও হয়না এবং তার দোকানেও যায়না। ঘটনার সময় আমি এলাকার বাহিরে ছিলাম।

স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড ইউপি রমেম্বার মোহাম্মদ আলম জানান, আমি কক্সবাজারে ছিলাম। ভাড়া বাসার মালিক হাফেজ সাঈদ আলম বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। এলাকায় এসে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা কি তা খতিয়ে দেখব।

স্থানীয় সচেতনমহলের দাবী, উক্ত ভাড়াবাসায় নারী-পুরুষ ও শিশুর অবস্থান। মানুষের মূল্যবান ডকুমেন্টস ও নগদ টাকা, অলংকারাদি ছিল। আগুন লাগলে সব শেষ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির আশংকা ছিল। তাই তদন্ত স্বাপেক্ষে এই ধরনের নাশকতা ও ন্যাক্কারজনক ঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী উঠেছে। ###