হলি আর্টিজানে হামলা, আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

ডেস্ক নিউজ |
বছর দুয়েক আগে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় মামলায় আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। এতে ২১ জন জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তারা অভিযোগপত্র আদালতে পাঠিয়েছেন।

আট আসামি হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, আসলামুল ইসলাম ওরফে রাশেদ ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ ওরফে হাতকাটা মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, শরীফুল ইসলাম খালেদ, মামুনুর রশিদ রিপন ও হাদিসুর রহমান সাগর।

মনিরুল জানান, এদের মধ্যে পলাতক দুই আসামি শরীফুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে গ্রেফতারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন অভিযানে নিহত হওয়া বাকি ১৩ জনের নাম বাদ দেয়ার কথা বলা হয়েছে অভিযোগপত্রে। হামলার পর দিন সকালে হলি আর্টিজান বেকারি থেকে গ্রেফতার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমের নাম আসেনি এতে।

অভিযানে নিহত হলি আর্টিজানের পাচক সাইফুল ইসলামকে শুরুতে সন্দেহের তালিকায় রাখা হলেও তার সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানান মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, তদন্তে দেখা গেছে- আসামিরা পাঁচ মাস আগে থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল- দেশকে অস্থিতিশীল করা, বাংলাদেশকে একটি জঙ্গিরাষ্ট্র বানানো ও সরকারকে চাপের মুখে ফেলে দেয়া।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, তদন্ত প্রতিবেদনে চিহ্নিত ২১ জনের মধ্যে পাঁচজন গুলশান হামলায় সরাসরি অংশ নেন। বাকিরা হামলার পরিকল্পনা, সমন্বয়, প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র-বোমা সংগ্রহসহ বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িত ছিলেন।