হতাশা বাড়ার কারণ

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ২ years ago

আরশাদ আলী : মহান আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা ও রিজিকদাতা। যাবতীয় কল্যাণ একমাত্র তারই হাতে। তাই দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ লাভে তার সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে। প্রশান্ত জীবন লাভে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলার বিকল্প নেই। যারা তার নির্দেশিত পথ থেকে সরে যাবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হতাশার পাহাড় তার মাথার ওপর চেপে বসবে। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মহাপবিত্র আল্লাহ বলেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতে মগ্ন হও। আমি তোমার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করব এবং তোমার দারিদ্র্য দূর করব। তুমি যদি তা না করো, তাহলে আমি তোমার অন্তর হতাশা দিয়ে পূর্ণ করব এবং তোমার দরিদ্রতা দূর করব না। (ইবনে মাজাহ)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান, তুমি আমার ইবাদতের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করো, আমি তোমার অন্তর ঐশ্বর্যে পূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব দূর করে দেব। তুমি তা না করলে আমি তোমার দুই হাত কর্মব্যস্ততায় পরিপূর্ণ করে দেব এবং তোমার অভাব-অনটন রহিত করব না।’ (তিরমিজি) তাই হতাশা থেকে মুক্তি এবং আত্মিক প্রশান্তি লাভের জন্য আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করার কোনো বিকল্প নেই।