টেকনাফ টুডে ডেস্ক:স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগে আটক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড সার্ভিস সুপারভাইজার-জিএসএস ওমর ফারুক ওরফে জামাই ফারুক রিমান্ডে তেমন কোনো তথ্য দিচ্ছেন না। কোনো কিছু জানতে চাইলেই তিনি আবোল-তাবোল বলছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমান বন্দর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আসাদ জাগো নিউজকে বলেন,রিমান্ডের প্রথম দিনে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়নি ওমর ফারুক ওরফে জামাই ফারুক। এখন পর্যন্ত তার অন্যান্য সহযোগীদের নাম বলেনি। কোনো তথ্য জানতে চাইলে আবোল-তাবল বকতে শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে নির্দোষ দাবি করছে জামাই ফারুক। এ ছাড়া উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর সড়কের বিশাল ফ্ল্যাট এবং দুটি নতুন গাড়ি তার শ্বশুরের দেয়া বলেন জানিয়েছেন। তবে এর বাইরেও তার বিশাল সম্পদের বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে।
উল্লেখ্য,গত শনিবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে মালয়েশিয়া থেকে আগত বিজি-০৮৭ ফ্লাইটে আসা ১ কেজি ২শ’ গ্রাম স্বর্ণের চোরাচালানসহ তাকে আটক করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, এর আগে আরও ৬ বার গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান করেছেন তিনি।
আটক জামাই ফারুককে গত রোববার (১৫ অক্টোবর) আদালতে ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল সোমবার ছিল রিমান্ডের প্রথম দিন। রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য না আসলে আরও ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।
