সেন্টমার্টিন সংলগ্ন সাগর হতে ১লাখ ৭০হাজার ই*য়া*বাসহ ৬ মিয়ানমার নাগরিক আটক, ফিশিং ট্রলার জব্দ

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

হুমায়ূন রশিদ : সেন্টমার্টিনের ছেড়াদ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে কোস্টগার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথ অভিযান চালিয়ে ১লাখ ৭০হাজার পিস ইয়াবার চালান বোঝাই ইঞ্জিন বোটসহ মিয়ানমারের ৬জন নাগরিককে আটক করেছে।

১৬ আগষ্ঠ (মঙ্গলবার) বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড টেকনাফ বিসিজি ষ্টেশন কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,ভোররাত ৩টারদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিসিজি ষ্টেশন টেকনাফ কোস্টগার্ডের লেঃ কমান্ডার আশিক আহমেদ (ট্যাজ) বিএন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক মোঃ সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে বিশেষ আভিযানিক দল প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন ছেঁড়াদ্বীপ হতে আনুমানিক ৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিন-পূর্বে মায়ানমার সীমান্ত হতে একটি ফিশিং বোটকে বাংলাদেশ সীমানায় আসতে দেখা যায়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াবা বহনকারী বোটটি কাছাকাছি আসলে রেইডিং টিমের সদস্যরা ঐ বোটটিকে টর্চ ও বাঁশির মাধ্যমে থামার সংকেত দেয়। কিন্তু বোটটি গতিবিধি পরিবর্তন করে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে রেইডিং টিমের সদস্যরা ধাওয়া করে উক্ত বোটের কাছে গেলে রেইডিং টিমের সদস্যদের উপর দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র দ্বারা আক্রমনের চেষ্টা করা হয়। এসময় কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করার পর তাদের থামিয়ে বোট তল্লাশী করে ১টি বস্তা হতে ১লাখ ৭০হাজার পিস ইয়াবা ও ১টি সীমকার্ড বিহীন স্মার্টফোন (ভাঙ্গা), ইঞ্জিন চালিত কাঠের বোটসহ মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার ঘাটিয়াখালী থানার নাপং মাষ্টার দিল মোহাম্মদ মাঝি এলাকার মৃত নুর আহমদের পুত্র কেফায়েত উল্লাহ (২২), ক্যাম্প পাড়ার তোবারক মাঝির এলাকার মৃত আব্দুল গাফ্ফারের পুত্র মোঃ শরিফ (২৭), মোহাম্মদ হোছন মাঝি এলাকার মিজ্জি-২ এর বাসিন্দা জালাল উদ্দিনের পুত্র মোঃ হোছন (৩৮), ক্যাম্পপাড়া তোবারক মাঝি এলাকার মৃত হারেদের পুত্র ছৈয়দুর রহমান (৪৩), আলছান মাঝি এলাকার মৃত রশিদ আহমদের পুত্র মোঃ হোছন (২৭) এবং ক্যাম্পপাড়া তবারক হোছন মাঝি এলাকার নুর কবিরের পুত্র নুর হোসেন (২১) কে গ্রেফতার করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা জানান,জব্দকৃত ইয়াবা,কাঠের বোটসহ আটক আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ###