সেই ১০রাখাইন পরিবারের খবর নিলেন টেকনাফের ইউএনও

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

সাদ্দাম হোসাইন : হ্নীলার রঙ্গিখালী গ্রামের অবহেলিত এলাকা চৌধুরীপাড়া। এখানে ১শ ১০টি রাখাইন পরিবার বসবাস করেন। তাদের বেশীর ভাগই দরিদ্র। হাতে গুনা কয়েকজন স্বর্ণাকার ছাড়া বাকীরা কর্মহীন বেকার। করোনা পরিস্থিতিতে তারা আরো বেশী অসহায় হয়ে পড়েছেন। কেউ তাদের খবর না নেওয়ায় তাদের অনেকে খেয়ে না খেয়েই আছেন। করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে সরকারীভাবে তারা কোন সহায়তা পায়নি।
এদিকে দৈনিক ইত্তেফাকের টেকনাফ সংবাদদাতা জসিম উদ্দিন টিপুর ফেইসবুকে অসহায় ১০ রাখাইন পরিবারের ‘কেউ কথা রাখেনি’ এমন পোষ্ট দেখে টেকনাফের ইউএনও ত্রাণ নিয়ে তাদের কাছে ছুটে আসেন। তিনি অসহায় ১০পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন। পাশাপাশি গৃহহীন এই সব পরিবারকে সরকারের তরফ থেকে গৃহায়ণ কর্মসূচীর আওতায় নিয়ে আসবেন বলে জানান।
এদিকে ইউএনও’র হাত থেকে ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে অসহায় ১০পরিবারের মাঝে আনন্দ দেখা দেয়। তাদের একজন ৮০বছর বয়স্কা নারী ছিং ছেন উ জানান, এতদিন কেউ খবর নেয়নি। গত তিন দিন ধরে না খেয়েই ছিলাম। ইউএনও চাল-ডাল,তেল,পিয়াজসহ ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছেন। তিনি সরকারের তরফ থেকে ঘরের ব্যবস্থা করে দিবেন বলেও আশ্বস্থ করেছেন।
১৩ এপ্রিল সোমবার দুপুরে হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অসহায় রাখাইন পরিবারের মধ্যে মাস্ক,গ্লাভ এবং ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন টেকনাফের ইউএনও মো: সাইফুল ইসলাম সাইফ। এসময় দৈনিক ইত্তেফাকের টেকনাফ সংবাদদাতা জসিম উদ্দিন টিপু,চৌধুরীপাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মংটিংঅং,মানবাধিকার কর্মী মংখিংথু,হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি বুসে রাখাইন,অংছেন নাই,স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হাসান আলী পিন্টু প্রমুখ।#