সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেলে বরিশালকে মিনি সিঙ্গাপুরে রূপান্তরিত করবো : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

রায়হান ইসলাম , বরিশাল : বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বলেছেন, ‘চোর নই। টিআর, কাবিখার টাকা খাওয়ার লোক নই, চাকুরী দিয়ে টাকা খাবার লোকও নই। নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, বরিশালের উন্নয়ন হবেই। সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেলে বরিশাল সিটি মেয়রকে সঙ্গে নিয়ে বরিশালকে একটি মিনি সিঙ্গাপুরে রূপান্তরিত করবো।’ বিকাল ৪টায় নগরীর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বরিশাল জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় তিনি এসব কথা বলেছেন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাস প্রমুখ।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পত্রিকা চালানোর জন্য অসত্য লিখে আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। কারণ বরিশালে আমাদের (আওয়ামী লীগ) এর মধ্যে কোনো বিবেদ নেই। যে যেভাবে বলবে সেভাবেই লেখুন, বাড়িয়ে লিখবেন না। এতে হয়তো পত্রিকা ভালো চলবে, কিন্তু কাঙ্খিত উন্নয়ন আর হবে না।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী ভাঙনের কষ্ট একমাত্র সেই বোঝে যার ঘর বাড়ি নদী ভাঙনে বিলিন হয়েছে। তাই নদী ভাঙনের হাত থেকে বরিশালবাসিকে রক্ষা করাই আমার প্রধান কাজ। এটা আমার স্বপ্নও ছিলো। আল্লাহ সেই স্বপ্ন পুরণের সুযোগ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে কীর্তনখোলা নদীর চরবাড়িয়া, বেলতলা, চরকাউয়া, চরমোনাই সহ বিভিন্ন নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। তাছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের ৬ জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম দোয়ারিকা শিকারপুর সেতু ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, শুধু নদী ভাঙন প্রতিরোধ নয়, আগামী ৫ বছরের মধ্যে শুধুমাত্র সিটি এলাকাই নয়, বরং আমার অভিভাবক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে নিয়ে বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নকে শহরে রূপান্তরিত করবো।