প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
• সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মহামারীর মধ্যে নিরাপত্তা সংকটে থেকেও স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীরা বিশ্বের অসহায় মানুষদের পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
• গত বছর মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীদের জন্য ভয়াবহ ছিল। ৪৮৩টি হামলাহয়েছে, ১২৫ জনমৃত্যুবরণকরেছেন, ২৩৪ জনআহতহয়েছেন এবং ১২৪ জনঅপহরনেরশিকারহয়েছেন। জাতিসংঘ মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীদের উপর সমস্তহামলারনিন্দাজানাচ্ছে।
• এবছরজাতিসংঘের সমন্বকারীকার্যালয় (UNOCHA) এবং সহযোগী সংস্থাগুলো মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীরা যারা প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মধ্যে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের বাস্তব_জীবনের বীরত্ব গাথা অনুপ্রেরণামূলক গল্পগুলো উপস্থাপন করছে ।
জেনেভা / নিউইয়র্ক, ১৯ আগস্ট ২০২০: আজ বিশ্ব মানবিক দিবস। সকল মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীদের শ্রদ্ধা জানাতে দিনটি পালিত হচ্ছে যারা অনেকেই নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যে কাজ করছেন এবং কোভিড১৯ পরিস্থিতে নারী, পুরুষ এবং শিশুদের সহায়তায় নিয়োজিত রয়েছেন। এই সকল বাস্তব জীবনের বীরদের আন্তরিকতা, পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগ মানবিকতার বিরাট পরিচয় বহন করে। বিশেষ মানবিক প্রয়োজনে কোভিড১৯ সঙ্কটের সাড়াদানে তারা তা করে দেখিয়েছেন।
সাধারণত সম্প্রদায়ের লোকজন নিজরাই প্রথম সাড়া দানকারী হিসেবে কাজ করে থাকেন যেমন- শরণার্থী, নাগরিক-সমাজ অথবা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী। সংঘাত, বাস্তুচ্যুত, দুর্যোগ এবং রোগ-ব্যাধীর মধ্যে তারা অপরের জন্য খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা, সুরক্ষা প্রদান করে আশ্বস্ত করেথাকেন।
কিন্তু এবার মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীদের একদম নতুন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা, পর্যাপ্ত সংস্থানের অভাব পাশাপাশি জরুরি তহবিলের প্রয়োজনীয়তা। এছাড়া সব সময়ই, অন্যের জীবন বাঁচাতে তারা নিজেদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে, নাইজার এবং ক্যামেরুনে ঘৃণ্য হামলায় মানবিক সহায়তা প্রদানকারী কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে এবং মহামারী শুরুর পর থেকে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্তের হার অনেক বেশি।
মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাসমূহের তথ্যঅনুসারে, গত বছর মানবিক সহায়তায় নিয়োজিত কর্মীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আক্রমনের সংখ্যা আগের সমস্ত বছর রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ২৭৭টি পৃথক ঘটনায় মোট ৪৮৩জন ত্রাণকর্মী আক্রমনের শিকার হয়েছেন, ১২৫ জন মারা গেছেন, ২৩৪ জন আহত হয়েছেন এবং ১২৪ জন অপহরনের শিকার হয়েছেন। যা ২০১৮ সালের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি।
