কক্সবাজার জেলার দৈনিক সমুদ্রকন্ঠ পত্রিকা ও একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত “বেরিয়ে আসছে ইয়াবা খোকনের নানান অপকর্ম” শিরোনাম সম্বলিত শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদের এক অংশে আমাকে ইয়াবা কারবারি উল্লেখ করে যা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এলাকার কতক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে হয়রানিতে ফেলার জন্য পত্রিকায় এরকম মিথ্যা ও ভূঁয়া নিউজ প্রকাশ করাচ্ছে। যে বা যারা সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়েছে মুলত তারাই ইয়াবা কারবারি হতে পারে। প্রশাসন সুষ্ট তদন্ত করলে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আমি মনে করি। আমি টেকনাফ বাহারছড়া ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে যে জিরু টলারেন্স জারী করেছে এ নীতি বাস্তবায়ন করতে এলাকায় সর্বদা আমি সচেষ্ট থাকি। আমার জীবনে আমি কোনদিন মাদকের ব্যবসার সাথে লিপ্ত ছিলামনা। যদি আমি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এরকম প্রমাণ থাকে তাহলে তা জাতির সামনে প্রকাশ করুক। আমি যদি দূষি হই তাহলে আমি সর্বাদালতের আইন মাথা পেতে মেনে নেব। খোকনের সাথে আমার শুধু সাংগঠনিক পরিচয়, কারণ তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তার সাথে আমার কোন ধরনের বৈধ অবৈধ কোন ব্যবসা বানিজ্য নেই ও ছিলনা। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত সভা সেমিনারে আমি মাদকের বিরুদ্ধাচরন করায় এলাকার কতক সরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের কাটা ঘায়ে লবণ লেগেছে। আসলে আমি দীর্ঘ বৎসর ধরে মৎস্য ও বরফের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তাছাড়া আমার মাছ ধরার নৌকাও রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এ নিয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ রাখছি।
প্রতিবাদকারী
জাহেদুল আলম
( সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, বাহারছড়া ইউনিয় ১নং ওয়ার্ড)
