টেকনাফ টুডে ডেস্ক : ইউরিক এসিড একটি প্রাকৃতিক বর্জ্য পদার্থ। যা শরীরে পিউরিন নামক যৌগ ভাঙার ফলে তৈরি হয়। পিউরিন মূলত কার্বন ও নাইট্রোজেন পরমাণু দিয়ে গঠিত। যখন আমরা পিউরিন-সমৃদ্ধ খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাই, তখন শরীর তা সঠিকভাবে হজম করতে না পেরে অতিরিক্ত ইউরিক এসিড তৈরি করে, যা শরীরে জমতে শুরু করে।
২। অ্যালকোহল সেবন,
৩। স্থূলতা ও অতিরিক্ত ওজন,
৬। আর্থ্রাইটিস বা গেঁটে বাতের পারিবারিক ইতিহাস।
ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কেমন হওয়া উচিত?
রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
পুরুষদের জন্য স্বাভাবিক মাত্রা: ৩.৪ – ৭.০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
নারীদের জন্য স্বাভাবিক মাত্রা: ২.৪ – ৬.০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার
উক্ত সীমার চেয়ে বেশি হলে তা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড (হাইপারইউরিসেমিয়া) হিসেবে ধরা হয়।
১। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন
চিনিযুক্ত পানীয় ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন
বেশি করে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খান
রেড মিট, অর্গান মিট, শেলফিশ ও পিউরিন-সমৃদ্ধ মাছ (যেমন সার্ডিন, ম্যাকেরেল) এড়িয়ে চলুন
২। হাইড্রেশন বজায় রাখুন
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন, বিশেষ করে গরমের সময়। পর্যাপ্ত পানি শরীর থেকে ইউরিক এসিড বের করে দিতে সহায়তা করে।
৩। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
অতিরিক্ত ওজন ইউরিক এসিডের মাত্রা বাড়ায়। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর ডায়েটের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪। ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন
প্রতিদিন অন্তত ৫–১০ গ্রাম ফাইবার গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। ফাইবার ইনসুলিনের মাত্রা ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সাহায্য করে, ফলে ইউরিক এসিডও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সূত্র : আজতক বাংলা
