হুমায়ুন রশিদ : লেদা রোহিঙ্গা বস্তিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত পাহারাদারকে পোস্টমর্টেম শেষে দাফন করা হয়েছে। এই ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জানা যায়, ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টারদিকে পোস্ট মর্টেম শেষে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত পাহারাদার ইয়াছেরের লাশ টেকনাফের হ্নীলাস্থ লেদা রোহিঙ্গা বস্তিতে আনা হয়। এসময় প্রায় ২শতাধিক ক্যাম্প পাহারাদারসহ সাধারণ রোহিঙ্গারা সরকারের নিকট এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করেন। এরপর বাদে মাগরিব তাকে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, এই ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার দায়ের করা হলে তদন্ত স্বাপেক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গত ৩১ আগষ্ট দুপুর ৩টায় হ্নীলা আলীখালীর হাজী কালা চাঁন্দের পুত্র দূধর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা গডফাদার সহোদর ছৈয়দ আলম (৩৫) ও রিদুয়ান (৩২) এর নেতৃত্বে একটি গ্রæপ গিয়ে লেদা রোহিঙ্গা বস্তির এফ বøকের মসজিদের সামনে ১৫৬নং রোমের বাসিন্দা মোঃ ইসলামের পুত্র ও পাহারাদার মোঃ আয়াছের (২০) কে দাড়িয়ে আলাপরত অবস্থায় বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে বীরদর্পে চলে যায়। তাকে দ্রæত স্থানীয় ক্যাম্প হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর পরই পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন।
উল্লেখ্য ক্যাম্প পাহারা দলের এই দুঃসাহসী যুবক সহকর্মীদের সহায়তায় গত ৭ আগষ্ট ১৬শ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার জেরধরে ইয়াবা গডফাদার ও স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিনে বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে খুন করে বলে সাধারণ রোহিঙ্গারা দাবী করেন। এদিকে নিহতের পিতা ছেলে হত্যার বিচার প্রসঙ্গে জানান, আমি গরীব। মামলা করার ও চালানোর সামর্থ্য নেই। এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা কামনা করেন।
