Exif_JPEG_420
শ.ম.গফুর,উখিয়া:আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ দফা প্রস্তাব দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ব
জনমতও পক্ষ নিয়েছে। শুধুমাত্র গুটিকয়েক মহল রোহিঙ্গা ইস্যুকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্ররোচনায় নামলেও জনগন ও বিশ্ব মিডিয়া তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরাও কানে আনছিনা। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মন্ত্রী, সেনাবাহিনী সহ প্রশাসনের লোকজন, সংসদ সদস্য, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় পাশে রয়েছে। দেশের হাওর অঞ্চলের বন্যা, খরা, নানা দুর্যোগ মোকাবিলা করে আবার রোহিঙ্গাদের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল পৌণে ১২টায় উখিয়ার পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম জিরো পয়েন্টে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। রোহিঙ্গাদের সাথে মানবিক আচরণ করে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হচ্ছে। তাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য ১২টি ত্রাণ পয়েন্ট ও ৮টি লংগরখানা খোলা হয়েছে। যা থেকে প্রতিদিনই সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণ ও খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের স্বদেশে (মিয়ানমার) ফিরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী নিজেও কুটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা করছি রোহিঙ্গা সংকট সমাধান হবেই। তবে এখনো পর্যন্ত. ইতিবাচক কি সিদ্ধান্ত হয়েছে তা বলা যাচ্ছেনা।
এসময় মন্ত্রীর সাথে পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান এমপি, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৈশলা মার্মা, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, পুলিশ সুপার সঞ্জিত আচার্য্য, বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য আবদুর রহিম চৌধুরী, বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, পৌর মেয়র মোঃ ইসলাম বেবী, জেলা আওয়ামীলীগ সহসভাপতি আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুর রহমান, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এড.সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, কক্সবাজার জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাশ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাংসদ প্রতিনিধি আলহাজ্ব খাইরুল বশর, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যাপক শফিউল্লাহ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক সদর ইউপির চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রাজা মিয়া, বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাউসার সোহাগ, ঘুমধুম ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ, প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন, ঘুমধুম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি খালেদ সরওয়ার হারেজ, শহীদ আইভী রহমান স্নৃতি সংসদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সমন্বয়কারী ছৈয়দুল বশর, ছাত্রলীগ নেতা উবাচিং মার্মা, জিশানুল হক, বারেক আজিজ সহ কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভাশেষে অসহায় ১ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বাহীনি ট্রাক উল্টে নিহত ১০ পরিবারে আর্থিক সহায়তার নগদ ১লাখ টাকা বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিকের হাতে বুঝিয়ে দেন। প্রসঙ্গতঃ সরকারের অধীনে প্রায় ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার মাঝে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
