রামুতে বসত ভিটার জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে নি*হ*ত -১, আহত-২ : গ্রেপ্তার-২

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৩ years ago

রামু সংবাদদাতা : রামুতে বসত-ভিটার জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে নিহত (১)আহত (২) গ্রেফতার( ২)। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পূর্ব ধরপারা অনিল চৌকিদারের বাড়ির সামনে রাস্তার উপর।
১৭ই ফেব্রুয়ারি বেলা পৌনে ১২ টার সময় এই ঘটনা ঘটে, নিহত সমির ধরের জ্যাঠাত ভাই মৃত বিষ্ণপদ ধরের ছেলে সন্তোষ ধর জানান পশ্চিম রাজারকুল ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ধর পাড়া এলাকার শ্রী রাম ধরের ছেলে সন্ত্রাসী বাবুল ধর ও মৃত বিপন চন্দ্র ধরের ছেলে চিত্ত রঞ্জন ধরের সাথে দীর্ঘদিন পর্যন্ত নিহত সমির ধরের ভাতিজা সুকুমার ধর ও প্রভূ ধনের সথে বসত ভিটা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান।
ঘটনার দিন হঠাৎ করে মৃত শ্রী রাম ধরের ছেলে বাবুল ধরের নেতৃত্বে তার ছেলে রিজন ধর , মৃত বিপন চন্দ্র ধরের ছেলে চিত্ত রঞ্জন ধর, মৃত দয়াল হরি ধরের ছেলে আপন ধর, পুপন ধর প্রকাশ কালা, নেপাল ধরের ছেলে মিটু ধর, চিত্ত রঞ্জন ধরের ছেলে শিমুল ধর, ছোটন ধর, কাকন ধর,দয়াল হরি ধরের ছেলে আপন ধর, চিত্ত রঞ্জনের স্ত্রী ইন্দিরা ধর প্রকাশ ফুলন দেবি দেশীয় তৈরী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে নিহত সমির ধর কে গালিগালাজ করে এবং মারধর করার জন্য চেষ্টা করে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রামু থানার এস আই মনিরুল ইসলামসহ পুলিশ ফোর্স গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষেকে আইন শৃঙ্খলা অবনতি না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার প্রায় ২০ মিনিট পর পুনরায় সন্ত্রাসীরা দেশীয় তৈরী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে মৃত কালি শংকর ধরের ছেলে সমির ধর ও তাপস ধর কে চাকু দিয়ে আঘাত করে সুকুমারসহ সবাই কে মারধর করে গুরুত্বের আহত করে, এলাকাবাসী নিহত ও আহতদের কে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সমির ধর কে মৃত ঘোষণা করে,
তাপস ধর কে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে হাসপাতালে রেফার করে। সুকুমার কে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় । এই ঘটনায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে বাবুল ধর ও রিজন ধর কে গ্রেফতার করে।
নিহত সমির ধরের জ্যাঠাত ভাই মৃত বিষ্ণপদ ধর ছেলে সন্তোষ ধর সন্ত্রাসীদেরকে দূরত্ব গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। রামু থানায় মামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।
প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসীদের ফাঁসি দাবি করেন নিহত সমির ধরের মেয়ে ইশা ধর, বোন অনিমা ধর ও এলাকাবাসী। রামু থানার এস আই অসীম ধর দুই জনকে গ্রেফতারের বিষয় নিশ্চিত করেন , এজাহার পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কক্সবাজার সদর সার্কেল মিজানুর রহমান, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল হুসাইন, সেকেন্ড অফিসার কাওছার, এস আই অসীম ধর,এ এস আই এমিলন বড়ুয়া,চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান।