নিজস্ব প্রতিবেদক : হ্নীলা রঙ্গিখালী জুম্মা পাড়ার হত্যা, ইয়াবা, অবৈধ অস্ত্র, অপহরণ ও নারী নির্যাতনসহ ডজন মামলার ফেরারী আসামী ফরিদের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা ভাড়াটে সন্ত্রাসী গ্রুপ এনে অবৈধ অস্ত্রের মহড়া দিয়ে গাজীপাড়ার বাসিন্দাসহ পুরো এলাকাকে আতংকিত করার অভিযোগ উঠেছে।
গাজীপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দা জানায়,হ্নীলা ইউনিয়নের পাহাড়ি জনপদ পশ্চিম জুম্মাপাড়ার মৃত সোলতান আহমদের পুত্র, মাদক, ক্রসফায়ার, হত্যাসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফরিদুল আলম নিজ নামে একটি বিশেষ বাহিনী গড়ে তুলে। সে র্যাব-১৫ এর সদস্যদের সাথে শালবাগান পাহাড়ে বন্দুকযুদ্ধে নিহত শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত জকিরের চাচাত বোন জামাই হওয়ার সুবাদে রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র গ্রুপের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত কয়েকদিন ধরে হ্নীলা রঙ্গিখালীর বিশেষ মহলের ইন্দনে এই সন্ত্রাসী ফরিদ বাহিনী পাহাড়ে অবস্থানরত স্বশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ভাড়া এনে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে গাজীপাড়া থেকে মেম্বার নির্বাচন করতে যাওয়া নুরুল বশর, তার পরিবারের সদস্য, এলাকাবাসীকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। স্বশস্ত্র ফরিদ বাহিনীর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় উক্ত গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
এই ব্যাপারে মেম্বার প্রার্থী নুরুল বশর জানান,গত কিছুদিন আগে কথিত একটি অপহরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমিসহ আমার পরিবারের বেশ কয়েকজনকে মিথ্যা মামলায় আসামী করার চক্রান্ত চলছে। তার সঙ্গে শুরু হয়েছে ইউপি নির্বাচন। আমাদের বিশেষ প্রতিপক্ষ মহলের ইন্দনে এই ফরিদ ও তার ভাই জাফরেরা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ভাড়া এনে অবৈধ অস্ত্র মওজুদ করে হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। যার ফলে পশ্চিম গাজীপাড়া দিয়ে আমার আত্নীয়-স্বজন ও কর্মীদের চলাফেরা বন্ধ করে দিয়েছে। আমি এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এসব অপকর্ম দমনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত ফরিদ জানান,কে কাকে কি বলেছে তা জানিনা। তবে আমি এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত নয়।
এলাকার সাধারণ মানুষ জানান,অপহরণ ও মুক্তিপণ বাণিজ্য, আধিপত্য বিস্তারের জন্য অবৈধ অস্ত্রবাজি এবং খুনোখুনি বন্ধ করা বর্তমান সভ্য সমাজের দাবী। এখন থেকে আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচলের জন্য আইন-শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবী উঠেছে। ###
