রংগীখালীতে আবুল আলম বাহিনী বেপরোয়া,জিম্মী এলাকাবাসী শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

টেকনাফ থেকে পরিচালিত দৈনিক ভোরের টেকনাফ ডটকম নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত আবুল আলম বাহিনী বেপরোয়া, জিম্মী এলাকাবাসী শীর্ষক সংবাদ টি আমাদের দৃষ্টি গোছর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে যে সব তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। সংবাদটি পড়ে আমাদের মনে হয়েছে এলাকার এক শ্রেনীর কুচক্রী মহল দেশ প্রেমিক সাংবাদিক ভাইদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকানোর জন্য আমাদের নামে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আর আমাদের কে যে সব অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বানিয়ে নিউজে প্রচার করিয়েছে আসলে আমরা সে সব অপরাধের সাথে মোটেও সম্পৃক্ত নয়। আর আমাদের নামে এলাকায় কোন বাহিনী নেই। আর আমাদের কারনে এলাকাবাসী মোটেও জিম্মী নয়। বরং যারা নিউজ প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছে,তাদের কারনে আজ আমাদের এলাকা অশান্ত। তারা জোড়া খুন মামলা,অপহরন,ইয়াবা পাচার মামলা,অস্ত্র মামলা,মারামারি ,জমি দখল সহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী। পুলিশ সহ আইনশৃংখলা বাহিনী তাদের কে খুজেঁ পেলে যে কোন মুহুর্তে আটক করে ক্রসফায়ার দেবে বলে আমাদের ধারনা। তাই তারা মরার আগে পাগল হয়ে গেছে বলে আমাদের মনে হচ্ছে। নয়তো এরা এমন ড়াহা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করাতো না।আর আমাদের বাহিনীর নামে টেকনাফ থানায় ৩৩টি অভিযোগ আছে বলে যে তথ্য উপস্থাপন করেছে তারও কোন ভিত্তি নেই। আরেকটি কথা, গত ৯ বছরে আমাদের হাতে আটক হয়ে ২২ লাখ থেকে ৭৪ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় করেছি বলে নিউজে যে কথা বলা হয়েছে তা এক প্রকার হাস্যকর কথা ছাড়া আর কিছুই নয়।যদি কোন ব্যাক্তির কাছ থেকে অন্যায় ভাবে ২২ টাকাও আদায় করেছি এমন প্রমান কেউ দিতে পারবে বলে আমাদের মনে হয়না।অন্যায় করেছে জোড়া হত্যা মামলার সাথে যারা জড়িত তারা। আর এখন দোষ চাপাচ্ছে আমাদের উপর।শফিক মেম্বার সহ যারা এলাকায় খুন হয়েছে আর তাদের কে কারা খুন করেছে এলাকাবাসী তা অবগত। শফিক মেম্বার খুনের সময় আমার পরিবারের কোন সদস্য এলাকায় ছিলোনা।আর আমাদের পরিবারের কারো নামে কোন ইয়াবা মামলা নেই।কথা বলতে গেলে আরো অনেক লম্বা কথা আছে । তার কোন শেষ নেই। তবে স্বীকার করছি, আমরা এলাকার কিছু কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কিছু মিথ্যা মামলাার বোঝা কাধেঁ নিয়ে আজ ফেরারী জীবন যাপন করতে হচ্ছে । তারা পারলে আমাদের যে কোন মুহুর্তে শেষ করে দেবে। একদিকে শত্রুর ভয় অন্য দিকে প্রশাসনের ভয় এই চরম সত্য বুকে ধারন করে কোন রকম পালিয়ে বেচেঁ আছি। উপরে এক আল্লাহ আছেন তিনি সব কিছু দেখছেন কারা প্রকৃত খুনি, কারা প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী, কারা অস্ত্রবাজ,কারা সন্ত্রাসের গড়ফাদার। তবে আমাদের বিশ্বাস আমরা একদিন আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছ থেকে ন্যায় বিচার পাবো। অন্য দশজন মানুষের মত আমরা স্বাধীন ভাবে বেচেঁ থাকবো এই প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদে প্রশাসন সহ কাউকে বিভ্রান্ত না হতে বিনীত অনুরোধ করছি এবং প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আর সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, আপনার হাত দিয়ে প্রকাশিত একটি ভুল এবং মিথ্যে সংবাদে ক্ষতি হতে পারে একজন মানুষের। আর ওই মানুষটির বসবাস যদি পরিবার পরিজনের সাথে হয়ে থাকলে, তাহলে আপনি শুধু ওই মানুষটির নয় বরং একটি পরিবারেরও ক্ষতি করলেন। সুতরাং সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে একটু চিন্তা করবেন আপনার কারনে কোন নিরপরাধ কারো ক্ষতি হচ্ছে কিনা?